ইসরায়েলি কেমিক্যাল ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির এ হামলায়র ফলে পুরো এলাকায় রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নাগরিকদের নিরাপদে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৯ মার্চ) টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিওট হাভোভ শিল্প এলাকায় অবস্থিত একটি কারখানা এই হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। এলাকাটি বীরসেবা শহর থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। হামলার পর জরুরি সেবা বিভাগ জানিয়েছে, এতে অন্তত একজন আহত হয়েছেন। তবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।
কারখানাটিতে বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ থাকায় সম্ভাব্য বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানালা বন্ধ রাখার জন্যও সতর্ক করা হয়েছে বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে।
এর আগে নতুন ধাপের অভিযান শুরু করেছে ইরানের বিপ্লাবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। গোষ্ঠীটির সঙ্গে এ হামলায় যোগ দিয়েছে লেবাননের প্রতিরোধ যোদ্ধা হিজবুল্লাহ। দুপক্ষের যৌথ হামলায় ইসরায়েলের শতাধিক শহরে সাইরেন বাজতে শোনা গেছে।
রোববার (২৯ মার্চ) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, উত্তর ইসরায়েলে ইরানি হামলার সঙ্গে একই সময়ে হিজবুল্লাহর রকেট হামলাও চলেছে। এর ফলে ১০০টিরও বেশি শহরে সাইরেন বেজে উঠেছে।
এদিকে আইআরজিসি জানিয়েছে, ইসরায়েলে নতুন ধাপে হামলা শুরু হয়েছে। এ হামলায় ৮৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়া হয়েছে। ‘সানডে ডন বা রোববার ভোর’ নামক এ অভিযানে ইরাকের ভিক্টোরিয়া, কুয়েতের আরিফজান এবং সৌদি আরবের আল খার্জের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিকে নিশানা করা হয়েছে। অভিযানের মূল লক্ষ্য মার্কিন বাহিনীর ‘আকাশপথ ও ড্রোন পরিচালনার অবকাঠামো এবং অস্ত্রভাণ্ডার’।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের আরদ, নেগেভ, তেল আভিভ, এরবিল, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহর এবং আবুধাবির আল ধাফরাসহ বিভিন্ন এলাকায় এ হামলায় চালানো হয়েছে। এসব হামলার মূল লক্ষ্য মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর গোপন আস্তানা।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৫ চলনবিলের সময়