কে এই ওসমান হদি

: জুয়েল রানা ( পটুয়াখালী) জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ: 4 weeks ago

185

শরিফ ওসমান বিন হাদি বা ওসমান হাদি ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র ছিলেন, যিনি ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁর জন্ম ১৯৯৩ সালে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলায় এক মুসলিম পরিবারে, যেখানে বাবা মাদ্রাসা শিক্ষক ও ইমাম ছিলেন।প্রাথমিক জীবনহাদির শিক্ষাজীবন নলছিটির মাদ্রাসা থেকে শুরু হয় এবং নেছারাবাদ কামিল মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষা সম্পন্ন করেন।পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে (২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি হন, যেখানে মাদ্রাসা পটভূমির কারণে শিবির বা হিজবুত তাহরীর সন্দেহে হেনস্থা ও নির্যাতনের শিকার হন। তিন ভাই-তিন বোনের সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে রামপুরা এলাকায় বসবাস করতে শুরু করেন এবং ইংরেজি কোচিং সাইফুর্স ও ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সে শিক্ষকতা করেন।রাজনৈতিক পরিচয়জুলাই ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানে রামপুরা সমন্বয়ক হিসেবে সক্রিয়তার পর হাদি ইনকিলাব মঞ্চ গঠন করেন, যার লক্ষ্য আধিপত্যবাদবিরোধী স্বাধীনতা রক্ষা ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন।তিনি আওয়ামী লীগ নিষেধাজ্ঞা আন্দোলন, ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী অবস্থান এবং ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থিতার জন্য পরিচিত হন। বিএনপি, অন্তর্বর্তী সরকার এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির সমালোচনা করেন এবং বিবাহিত জীবনে এক সন্তানের পিতা ছিলেন।মৃত্যুর কারণ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর ঢাকার পল্টনের বক্স কালভার্টে মোটরসাইকেলসওয়ারী দুর্বৃত্তরা মাথায় গুলি করে আহত করেন, যা মস্তিষ্কের ম্যাসিভ ইনজুরি সৃষ্টি করে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসার পর ১৫ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়, কিন্তু ১৮ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। পূর্বে ৩০টি নম্বর থেকে হত্যা, ও আগুনের হুমকি পান, এবং হামলাকারী ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন শনাক্ত হয়েছে যারা ভারতে পালিয়ে যায়।