গবেষণার নামে স্বাধীনতার ইতিহাসের অবমূল্যায়ন করা যাবে না : প্রধানমন্ত্রী

: চলনবিলের সময় ডেস্ক
প্রকাশ: 13 hours ago

34

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথা নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা হবে। তবে, গবেষণা বা মন্তব্য এমন হওয়া উচিত নয়, যা দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অবমূল্যায়ন ঘটায়।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, আর অতীত ভুলে গেলে দুই চোখই অন্ধ। অতীতকে ভুলে থাকা চলবে না, আবার অতীত নিয়ে পড়ে থাকলেও তা যেন ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে বিঘ্ন সৃষ্টি না করে।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সব জাতীয় নেতাদের স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। সব বীর মুক্তিযোদ্ধা, আহত ও পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন সাহসী জনগণের অবদান স্মরণ করছি। তাদের অনন্য অবদানে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে শহীদ জিয়ার অবদানের কথাও স্মরণ করে বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে স্বাধীনতার স্বপ্ন লালন করতেন। তার দীর্ঘ মানসিক প্রস্তুতি ও ‘একটি জাতির জন্ম’ শীর্ষক নিবন্ধ তা প্রমাণ করে। ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত এই নিবন্ধে তিনি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাত ২টা ১৫ মিনিটে স্বাধীনতার ঘোষণার ঘটনা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বর্ণনা করেছেন, যা মুক্তিযুদ্ধ গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দলিল হতে পারে।

তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধ কোনো এক দলের নয়, এটি ছিল ‘জনযুদ্ধ’। লাখো প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে যদি আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করি, স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা অসম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষকে লক্ষ্য করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খননসহ নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে, যা জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে।