অনুকূল আবহাওয়ায় এ বছর পাবনার চাটমোহরে পানের ফলন আশানুরূপ হলেও বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন পানচাষিরা। উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
উপজেলার হরিপুর, ডিবিগ্রাম, সোন্দভা, গোপালপুর, ধুলাউড়ি এলাকায় সবচেয়ে বেশি পান চাষ হয়। সবুজে ঘেরা বরজগুলোতে ছায়াযুক্ত আবহাওয়ায় বেড়ে উঠছে পানগাছ। চাষিরা জানান, প্রতি বিঘায় বীজ, সার, খৈল, খিল, কীটনাশক ও শ্রমিক মজুরি মিলিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়; হরিপুরে বিঘাপ্রতি জমির লিজ ৪০ হাজার টাকা।
চাষি আব্দুল হাই বলেন, “ফলন ভালো হলেও দাম নেই। এ বছর আয় করা তো দূরের কথা, খরচই উঠবে না।” সোন্দভা ও তেবাড়িয়া এলাকার চাষিরাও জানান, গত বছর বিঘায় ৪০-৫০ হাজার টাকা লাভ হলেও এবার বাজারদরে লোকসান গুনতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাজারে বর্তমানে ১ বেরি (৮০ পান) বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১০০ টাকায়। প্রতিদিন ট্রাকে করে হাজার হাজার খাচি পান ঢাকা, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন জেলায় যায়, তবুও দাম বাড়ছে না।
চাষিদের অভিযোগ, সরকার বিভিন্ন ফসলে ভর্তুকি দিলেও পান চাষিরা কোনো সুবিধা পাচ্ছেন না।
চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কুন্তলা ঘোষ জানান, উপজেলায় ৩১ হেক্টর জমিতে পানের আবাদ হয়েছে এবং ফলনও ভালো। তবে বাজারের দাম নিয়ন্ত্রণ কৃষি বিভাগের হাতে নেই। এ বছর ২৫০ মেট্রিক টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে বলে তিনি জানান।
চাষিরা অতিরিক্ত সহায়তা ও ন্যায্যমূল্যের দাবি জানিয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৫ চলনবিলের সময়