চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে আহত ১১ বছরের শিশু রেশমী আক্তারের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। বর্তমানে সে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির শরীরের একাধিক অঙ্গ অকেজো হয়ে পড়েছে (মাল্টি অর্গান ফেইলর)।
গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে রৌফাবাদ শহীদ মিনার গলিতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে রাজু (২৫) নামে এক যুবক নিহত হন। ওই সময় বাসা থেকে পান কিনতে বের হয়েছিল চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী রেশমী। হঠাৎ মাস্ক পরা একদল দুর্বৃত্ত গলিতে ঢুকে নির্বিচারে গুলি শুরু করলে একটি গুলি রেশমীর বাঁ চোখে বিদ্ধ হয়।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রেশমী দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সবার ছোট। তার বাবা একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী, যিনি এলাকায় ভ্যানে করে শাকসবজি বিক্রি করেন। অভাবের সংসারে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবারটি দিশাহারা হয়ে পড়েছে। গুরুতর আহত রেশমীকে প্রথমে চমেকে নেওয়া হলেও আইসিইউ বেড খালি না থাকায় বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যয়ভার বহনে অক্ষম হওয়ায় শুক্রবার তাকে পুনরায় চমেকে ভর্তি করা হয়।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন কালবেলাকে জানান, শিশুটির অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। গুলিটি চোখের ভেতর দিয়ে ঢুকে মগজে আঘাত করেছে। বর্তমানে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক হওয়ায় এই মুহূর্তে অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হচ্ছে না।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৫ চলনবিলের সময়