জ্বালানি তেল নিয়ে সুখবর

: চলনবিলের সময় ডেস্ক
প্রকাশ: 2 hours ago

6

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবার কমেছে। দাম প্রায় ২ শতাংশ নামার পেছনে প্রধান কারণ হলো মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় বাজারের উদ্বেগ কমে আসা।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ফিউচারের দাম ১.৬৭ ডলার বা ২.৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৬৪.৮৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম ১.৫৪ ডলার বা ২.৫ শতাংশ কমে ব্যারেল প্রতি ৬০.৪৮ ডলারে নেমেছে।

এর আগে, বুধবার (১৪ জানুয়ারি, ২০২৬) উভয় সূচক ১ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্যের পর বাজারের বেশির ভাগ লাভ ফিরে গেছে। ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের হত্যা কমে এসেছে এবং বড় ধরনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কোনো পরিকল্পনা নেই।

নিসান সিকিউরিটিজ ইনভেস্টমেন্টের প্রধান কৌশলবিদ হিরোয়ুকি কিকুকাওয়া বলেন, মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না এমন প্রত্যাশার কারণে তেলের বাজারে বিক্রির চাপ ছিল। মন্দার অন্য কারণ হলো মার্কিন অপরিশোধিত তেলের মজুত বৃদ্ধি।

তবে তিনি বলেছেন, ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি এখনো বেশি এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনা সরবরাহ-চাহিদার ভারসাম্যকে প্রভাবিত করতে পারে। আপাতত ডব্লিউটিআই ৫৫ থেকে ৬৫ ডলারের মধ্যে লেনদেন হতে পারে।

গত সপ্তাহে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের মজুত বিশ্লেষকদের অনুমানের চেয়ে বেশি বেড়ে ৪২২.৪ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছেছে। এর ফলে বাজারে মন্দার সুর আরও বেড়েছে। ভেনেজুয়েলাও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যে তেলের উৎপাদন পরিবর্তন শুরু করেছে।

চাহিদার দিক থেকে, পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা জানিয়েছে, ২০২৭ সালে তেলের চাহিদা ২০২৬ সালের মতো একই গতিতে বাড়বে। সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্যের সম্ভাবনা রয়েছে, যা অতিরিক্ত তেলের পূর্বাভাসের সঙ্গে বিপরীত।

এ ছাড়া, ডিসেম্বরে চীনের অপরিশোধিত তেল আমদানি এক বছরের আগের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৫ সালে মোট আমদানিও ৪.৪ শতাংশ বেড়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে এবং ২০২৫ সালের জন্য দৈনিক অপরিশোধিত তেল আমদানির পরিমাণ সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।