বিশ্বকাপ ফুটবল ইতিহাসের এক নতুন ঐতিহাসিক এবং রোমাঞ্চকর অধ্যায় রচনা হতে যাচ্ছে। এবার সকল নামিদামী দলকে হারিয়ে সোনালী ট্রফি ছিনিয়ে নিয়ে বিশ্ব জেতার মুকুট মাথায় পরবে ফ্রান্স। এমনই ভবিষ্যত বানী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন দেশবরেন্য জোতিষী আবদুস ছালাম শিকদার।
মঙ্গলবার বিকাল পাঁচটায় তিনি এ স্ট্যাটাস দেন। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়া নিয়ে ভবিষ্যত বানী এবং ইরান ও ইসরাইল-আমেরিকার যুদ্ধ নিয়ে তার ভবিষ্যত বানী সত্য প্রমানিত হয়েছে।
ফেসবুকে দেয়া এই জ্যোতিষীর পোষ্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো। তিনি লেখেন, ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে এক তুমুল উন্মাদনা। সাধারণ মানুষ যখন দলগুলোর অতীত পরিসংখ্যান আর পারফরমেন্স নিয়ে হিসাব-নিকাশ করতে ব্যস্ত, তখন প্রচলিত সব ধারণাকে পাশ কাটিয়ে এই ফুটবল মহাযজ্ঞের চূড়ান্ত নিয়তি ইতিমধ্যেই নির্ধারিত হয়ে গেছে।
কিন্তু ট্রফি ছোঁয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে, কাপের একদম দ্বারপ্রান্তে গিয়ে এক অদৃশ্য দেওয়ালে ধাক্কা খাবে ইংল্যান্ডের সব স্বপ্ন। এক বুক দীর্ঘশ্বাস আর বীরোচিত পরাজয় সঙ্গী করে মাঠ ছাড়তে হবে তাদের, রানার আপের মর্যাদা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে ইংলিশদের।কারণ, ১৯শে জুলাইয়ের সেই মোক্ষম ক্ষণে এক অনন্য এবং জাদুকরী আশীর্বাদ বর্ষিত হবে ফরাসিদের ওপর। উল্লেখিত সমস্ত পরিস্থিতি আর শক্তির গতিপথকে সামনে রেখে আজ অত্যন্ত স্পষ্ট ও দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করছি- ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের মঞ্চে ইংল্যান্ডের দর্প চূর্ণ করে, সোনালী ট্রফি ছিনিয়ে নিয়ে বিশ্ববিজেতার মুকুট মাথায় পরবে ফ্রান্স। এই ভবিষ্যৎবাণী ফুটবল ইতিহাসের এক নতুন ঐতিহাসিক এবং রোমাঞ্চকর অধ্যায় রচনা করতে যাচ্ছে।
তিনি আরও লেখেন, যারা সমসাময়িক খবরের কাগজের বিশ্লেষণ বা গাণিতিক পরিসংখ্যানের বাইরে গিয়েও বাস্তব সত্যকে আগেভাগেই অনুধাবন করতে ভালোবাসেন, এই বার্তাটি মূলত তাঁদের কৌতূহল নিবৃত্তির জন্য। ফুটবল মাঠে বল গড়ানোর পর থেকে প্রতিটি মুহূর্তের ঘটনাপ্রবাহ যখন এই পূর্বাভাসের সাথে অক্ষরে অক্ষরে মিলতে শুরু করবে, তখন সংশয়বাদীদের সমস্ত যুক্তিই ম্লান হয়ে যাবে।
১৯শে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক ফাইনাল ম্যাচ শেষে এই প্রতিটি শব্দের বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সবাইকে অগ্রিম আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখলাম। যুক্তিপূর্ণ যেকোনো আলোচনা বা কৌতূহল নিয়ে সরাসরি যোগাযোগের দরজা উন্মুক্ত রইলো।
জ্যোতিষী মো. আবদুছ ছালাম শিকদার কালবেলাকে বলেন, আমি প্রায় দুই সপ্তাহ প্রচেষ্টার পর প্রেডিকশনটি সম্পন্ন করেছি। আল্লাহর রহমতে এর আগেও আমার বিভিন্ন প্রেডিকশন সফল হয়েছিলো। আমি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ এ্যাস্ট্রোলোজি থেকে জ্যোতিষ ডিগ্রী অর্জন করেছি। মানুষ আমাকে প্রেডিকশন করতে উৎসাহ যোগায় এজন্যই মূলত প্রেডিকশন করি।
জ্যোতিষী আবদুস ছালাম শিকদার ১৯৮২ সালের ২ এপ্রিল পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের বাদুরতলী গ্রামের সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম হাজী মো. জালাল উদ্দিন শিকদার। ছয় ভাই বোনের মধ্যে আবদুস ছালাম জালাল উদ্দিনের দ্বিতীয় সন্তান।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৫ চলনবিলের সময়