দাখিল পরীক্ষা না দিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে চলে গেল পরীক্ষার্থী

: ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশ: 1 hour ago

8

ফেনীর ফুলগাজীর আজমেরী বেগম বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইংরেজি পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন ফাতেমা আক্তার প্রিয়া। সহপাঠীদের সঙ্গে নিয়ে একসাথে ইংরেজি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে পরীক্ষা কেন্দ্রে যান তিনি। কিছুক্ষণ পর নিজের আসনে বসেন, এরপর ওয়াশরুমে গিয়ে মুঠোফোনে কথা বলে আবার নিচের দিকে নেমে যান। এরপর লাপাত্তা হয়ে যান তিনি। পরে জানা গেছে, পরীক্ষা না দিয়ে ওই পরীক্ষার্থী ইমন নামের এক ছেলের সাথে পালিয়ে গেছেন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দাখিল পরীক্ষার ইংরেজি ১ম বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। ওই দিন সহপাঠীদের সঙ্গে ফুলগাজী উপজেলার আজমেরী বেগম বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যান, মুন্সিরহাট ইসলামিয়া ফাজিল ( ডিগ্রি) মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার প্রিয়া। পরীক্ষা শুরুর ৫ মিনিট আগে পরীক্ষার হল ছেড়ে চলে যান তিনি। হল পরিদর্শকেরা কক্ষে ঢুকলেও ওই পরীক্ষার্থী না আসায় সহপাঠীরা নিচে গিয়ে তাকে অনেকক্ষণ খুঁজে পাননি। পরীক্ষার হলরুমে তার আসনটি ফাঁকা ছিল।

পরীক্ষা শেষে সহপাঠী ও অভিভাবকরা খোঁজাখুঁজি করে জানতে পারেন, পরীক্ষা না দিয়ে সে ইমন নামের এক ছেলের সাথে মাইক্রোবাসে করে ফেনীর দিকে চলে গেছে।

এ ঘটনা জানাজানি হলে সহপাঠীদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার এক সহপাঠী জানান, ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে সে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে। পরে ওয়াশরুমে গিয়ে একটি মুঠোফোন অজ্ঞাত এক ব্যক্তির সাথে কথা বলে। পরে দ্রুত নিচের দিকে নেমে যায়। এরপর সে আর পরীক্ষা দিতে আসেনি।

ওই পরীক্ষার্থীর মামা ইমরান হোসেন বলেন, তার ভাগ্নি ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষায় দেওয়ার জন্য আজমেরী বেগম বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্র যায়। কিন্তু পরীক্ষা না দিয়ে ইমন নামের এক ছেলের সাথে চলে যায়। ইমন ফুলগাজী উপজেলার দক্ষিণ তারালিয়ার শাহজাহান মিয়ার ছেলে।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি জানার পর আরও কয়েকজন আত্মীয়স্বজন নিয়ে ফেনী আদালত পাড়ায় যান। সেখানে গিয়ে আইনজীবীদের সাথেও কথা বলেছেন।

আজমেরী বেগম বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্র সচিব ও মুন্সিরহাট ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. ইসমাইল বলেন, দাখিল পরীক্ষার্থীদের মধ্যে একজন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। তবে সে কী কারণে পরীক্ষা দেননি সেটি তার জানা নেই। অধ্যক্ষ আরও বলেন, তার কেন্দ্রে ২৮৩ জন পরীক্ষার্থী উপস্থিত থাকার কথা ছিল। একজন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন, পরে জানতে পারেন ওই মেয়ে একটি ছেলের সাথে চলে গেছে।