দুমকিতে ঋণ দেওয়ার নামে গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব ও ঘুষ দাবির অভিযোগ

: জুয়েল রানা (জেলা প্রতিনিধি) পটুয়াখালী
প্রকাশ: 8 hours ago

5

পটুয়াখালীর দুমকিতে ক্ষুদ্র ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক হিন্দু নারী সদস্যকে আবাসিক হোটেলে যাওয়ার প্রস্তাব ও ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই কর্মকর্তার নাম মামুন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

​ভুক্তভোগী ওই নারী আংগারিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ও পেশায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তিনি জানান, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও মেয়ের বিয়ের খরচের জন্য ৩ লাখ টাকা ঋণের আবেদন করলে কর্মকর্তা মামুন তার কাছে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং তাকে একটি আবাসিক হোটেলে যাওয়ার অনৈতিক প্রস্তাব দেন। এর আগে ১ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার বিনিময়েও ওই কর্মকর্তা ৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। ভুক্তভোগীর দাবি, কিস্তিও আদায়ের অজুহাতে অভিযুক্ত কর্মকর্তা প্রায়ই তার বাড়িতে অনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রবেশ করতেন। এছাড়া হনুফা নামে অপর এক সদস্যকেও দেড় লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার নামে অনৈতিক প্রলোভন দেওয়ার কথা এলাকায় মুখে মুখে ফিরছে।

​অভিযুক্ত কর্মকর্তা মামুন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কিস্তি ফাঁকি দেওয়ার জন্যই গৌরী রানী এসব অপপ্রচার চালাচ্ছেন।” তিনি দাবি করেন, গৌরী রানী ইতোমধ্যেই তার অভিযোগ প্রত্যাহার করেছেন। তবে অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়টি অস্বীকার করে গৌরী রানী শীল বলেন, “আমি কেন অভিযোগ প্রত্যাহার করব? তিনি আমাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং ৫ হাজার টাকা ঘুষও নিয়েছেন।”

​এ বিষয়ে পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, বিষয়টি সংবাদকর্মীদের মাধ্যমেই তিনি প্রথম জানতে পেরেছেন। পুরো ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাঃ ফরিদা আক্তারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।