দামে ভালো ও লাভজনক হওয়ায় প্রতিবছরই নাটোরে বাড়ছে পেঁয়াজের কদমের (বীজ) চাষ। পেঁয়াজের কদমের বীজ স্থানীয়দের কাছে কালো সোনা হিসেবে পরিচিত। এ বছর শুধু নলডাঙ্গা উপজেলাতে ১৬২ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ বীজের চাষ বেড়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, পেঁয়াজের ফুলকে সবাই কদম বলে থাকে। এ কদম থেকে পেঁয়াজের বীজ হয়। গত বছর বেশ ভালো দাম পেয়েছিলেন চাষীরা। তাই এ বছর বেড়েছে পেঁয়াজ বীজের চাষ। পেঁয়াজের বীজ চাষে মৌমাছির পরাগায়ন নিয়ে নতুন চাষীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বাজারে তুলনামূলকভাবে বীজের দাম বেশি থাকে। গত বছর বাজারে পেঁয়াজের বীজ সাড়ে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
উপজেলার হরিদাখলসি গ্রামের কৃষক পলাশ, ছামাদ বলেন, প্রতিবছর আমরা পেঁয়াজের (কদম) চাষ করি, ফলনও ভালো পাওয়া যায়। এ বছর ৯ বিঘা জমিতে পেঁয়াজের কদম চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভবান হওয়ার আশা। কিন্তু সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি বৈশাখ মাসে শিলাবৃষ্টি নিয়ে। শীলা বৃষ্টি হলে পেঁয়াজের কদম নষ্ট হয়ে যায়। পেঁয়াজের কদমের বীজ আমাদের কাছে কালো সোনা হিসেবে পরিচিত। অন্য সব ফসলের চেয়ে বেশি দাম হওয়ায় আমাদের কাছে এটি সোনার মতো।
নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সবুজ আলী বলেন, এ বছর নলডাঙ্গা উপজেলাতে ১৬২ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ বীজের চাষ বেড়েছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকতারাও মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সহযোগিতা ও পরামর্শ দিচ্ছেন। এবছরও কদমের ভালো ফলন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি বিভাগ সবসময় কৃষকদের পাশে রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৫ চলনবিলের সময়