পটুয়াখালী জেলাধীন কলাপাড়া উপজেলায় শতাধিক ঘরবাড়ি কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে লান্ড ভন্ড হয়েছে।
এছাড়াও মধ্যরাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে পুরো এলাকায়।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ১২টা ৪০ মিনিটে হঠাৎই তীব্র হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে এ সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার।বাতাসের তীব্রতায় উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নে ছোনখোলা এলাকায় অর্ধশতাধিক টিনশেডের ঘর, কুঁড়ে ঘর ও আধাপাকা ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এর মধ্যে লালমিয়া হাওলাদার,আব্দুর সাত্তার হাওলাদার, মামুন তালুকদার, এনছান হাওলাদার, সাইফুল ইসলাম তালুকদার, মনিরুজ্জামান, ইউসুফ বয়াতি,বেল্লাল গাজী, শাহিনুর বেগম,রাব্বি তালুকদার, শিপন খা-এর বসতঘর,এবং উত্তর লালুয়া শেরেবাংলা নৌঘাঁটি সংলগ্ন বাজারে সোলেমান ও শহিদুল ইসলাম এর দোকান ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও উপজেলায় আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত ৩ শতাধিক ঘরবাড়ি।
অপরদিকে বিভিন্ন প্রজাতির বড় বড় গাছ উপরে পড়ে একাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থাপনা চাপা পড়ে আছে। এ উপজেলায় ঠিক কতটা ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।
ধানখালি ইউনিয়নের পাঁচ জুনিয়া গ্রামে রাতের আচমকা ঝড়ে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জলিল হাওলাদারের বাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। এ সময় ঘরের মধ্যে শবে কদরের নামাজরত অবস্থায় থাকা ঘরের সদস্যরা নিচে চাপা পড়েন। কিন্তু মালামালের ক্ষতি হলেও তারা অক্ষত আছেন।
কলাপাড়ার খেপুপাড়া রাডার স্টেশন কেন্দ্রের কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন জানান, ১৭ মার্চ মধ্যরাতে কালবৈশাখী ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার। এছাড়া এ সময়ে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৫ চলনবিলের সময়