পরমানন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উৎসব উদযাপন - চলনবিলের সময়

পরমানন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উৎসব উদযাপন

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: February 17, 2026

280

পরমানন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এ আনন্দমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. কামরুল ইসলাম। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। এরপর শিক্ষার্থীরা দৌড়, লং জাম্প, বালিশ খেলা, চামচে ডিম দৌড়সহ বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতা ও উদ্যমের পরিচয় দেয়।
সাংস্কৃতিক পর্বে ছিল কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান, নৃত্য ও নাটিকা পরিবেশন। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থাপনা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে এবং পুরো আয়োজনকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান সবুজ, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান, পুকুরপাড় আইডিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আলী, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. বাকি বিল্লাহ, মেন্দা খালপাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল হান্নান, ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক হাফিজুর রহমান আনসারি, সাংবাদিক মেহেদী হাসান, সাখাওয়াত হোসেন ও হাসিনুর রহমান, দুধবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদ, গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাঙালি, জয়রামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইনুল হোসেন, শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী, নয়ন, নাসিমসহ অনেকে।
সভাপতির বক্তব্যে মো. কামরুল ইসলাম বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চা শিক্ষার্থীদের মানসিক ও সৃজনশীল বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের আয়োজন তাদের মেধা ও মনন গঠনে সহায়ক। তিনি উপজেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের অনুষ্ঠান নিয়মিত ও বাধ্যতামূলকভাবে আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বিদ্যালয়ের এমন উদ্যোগকে অভিভাবকরা সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।