ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। তবে এর মধ্যেই রাজ্যটির বিভিন্ন জায়গায় মমতা ব্যানার্জির তৃণমূলের কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বাঁকুড়ার কোতুলপুরে তৃণমূল কার্যালয়ের ছাদে উঠে বিজেপির পতাকা লাগানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়া বরানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের কার্যালয় দখলের অভিযোগ উঠেছে। জামালপুরে শাসক শিবিরের কার্যালয়ে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে। জামুড়িয়া বিধানসভার চুরুলিয়া গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর এ অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে। এসব হামলায় তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির দিকে। বীজপুর এবং নোয়াপাড়াতেও তৃণমূলের প্রার্থীরা আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে দলটি। এরপরেই জেলাশাসক, সিপিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এর আগে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়ালের সামনে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সাখাওয়াতের সামনে তৃণমূলের কর্মীরা অবস্থান নিয়েছিলেন। এ সময় সেখানে সুব্রত বক্সিও উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। এর কিছু পরেই এজেসি বোস রোড ধরে বিজেপি সমর্থকেরা আসতে শুরু করেন। তারা পুলিশের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ান। এ সময় দলটির কর্মী-সমর্থকেরা চেয়ার ভাঙচুর করেন।
এমন পরিস্থিতে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি বা তার দল পরাজয় মেনে নিতে এখনও প্রস্তুত নন। তিনি বলেন, কাউন্টিং এজেন্টরা কেউ গণনাকেন্দ্র থেকে সরে আসবেন না।
তিনি আরও বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস এখনো ৭০ থেকে ১০০ আসনে এগিয়ে আছে, যেগুলো দেখাচ্ছে না। নির্বাচনি ফলাফলের নামে গোটাটাই মিথ্যে জিনিস খাওয়াচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৫ চলনবিলের সময়