বগুড়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য সেইফটি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা এ সময় উপস্থিত বিভিন্ন শ্রেণীর পেশাজীবীর মানুষ
আজ ১লা মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস—বিশ্বজুড়ে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের প্রতীকী দিন। প্রতি বছর এই দিনটি উদযাপিত হলেও বাস্তব চিত্রে এখনো বহু শ্রমিক ন্যায্য মজুরি ও অধিকার থেকে বঞ্চিত—এটাই আজকের বড় বাস্তবতা।
ঐতিহাসিকভাবে, পহেলা মে দিবসের সূচনা হয় ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের শ্রমিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। শ্রমঘণ্টা ৮ ঘণ্টা নির্ধারণের দাবিতে আন্দোলন গড়ে ওঠে, যা পরে বিশ্বব্যাপী শ্রমিক অধিকারের প্রতীক হয়ে ওঠে। এরপর ১৮৯০ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিবস পালিত হয়ে আসছে
সে হিসেবে ২০২৬ সালে পালিত হচ্ছে ১৪০তম আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস
বর্তমানে এই দিবসটি শুধু উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে নতুন করে সোচ্চার হওয়ার দিন হিসেবেও বিবেচিত হয়।
কিন্তু বাস্তবতা হলো—এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরি পাচ্ছেন না, অনেকেই প্রতারিত হচ্ছেন, কর্মপরিবেশ নিরাপদ নয়। দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের শ্রমিকদের পক্ষে বর্তমান বাজারে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে পহেলা মে দিবসের মূল লক্ষ্য—শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা—এখনো পুরোপুরি অর্জিত হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দিবস শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি হওয়া উচিত শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের নতুন অঙ্গীকারের দিন। সরকার, মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন সম্ভব নয়।
উপসংহার:
১৪০ বছরের ইতিহাস পেরিয়েও পহেলা মে আমাদের মনে করিয়ে দেয়—শ্রমিকের অধিকার এখনো পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাই আজকের এই দিনে নতুন করে প্রতিজ্ঞা হোক—শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৫ চলনবিলের সময়