
পানি সংকট মোকাবিলা বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। এ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে এশিয়ার সব দেশকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে এশিয়া ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ওয়াটার কনসালটেটিভ বোর্ডের (এএডব্লিউসি)জেনারেল সেক্রেটারি মি. হা সাং জে-এর নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের দক্ষিণ কোরিয়ান প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আহ্বান জানান।
স্পিকার বলেন, পানি সমস্যা বর্তমান বিশ্বে এতটাই তীব্র আকার ধারণ করেছে যে, বাংলাদেশসহ কোনো কোনো দেশের জন্য এটি জীবন-মরণ সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এই সংকট আরও মারাত্মক। পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে বাংলাদেশ প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে স্বাধীনতার পর থেকেই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অব্যাহত রেখেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়ার দেশগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান স্পিকারের
১৮ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ
বৈঠকে এএডব্লিউসির জেনারেল সেক্রেটারি মি. হা সাং জে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্যদেরকে তাদের সংগঠনের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে বৈশ্বিক পানি সংকট সমস্যা সমাধানে স্পিকারের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি ২০২৬ সালে লাওসে অনুষ্ঠিতব্য এএডব্লিউসি-এর বার্ষিক সম্মেলনে যোগদান করার জন্য স্পিকারকে আমন্ত্রণ জানান।
পানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়ার দেশগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান স্পিকারের
নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরালের পর বরখাস্ত হলেন বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা
একটি আইনি কাঠামোর মাধ্যমে পানি সমস্যা সমাধানের জন্য ২০১৯ সাল থেকে এএডব্লিউসি যে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে, সেজন্য সংগঠনটির নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান স্পীকার। তিনি প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করে বলেন, এএডব্লিউসি পানি সমস্যা সমাধানে এশিয়ার দেশগুলোর জাতীয় সংসদ সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করে যে লেজিস্লেটিভ কার্যক্রম শুরু করেছে, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্যদেরও সেই উদ্যোগে শামিল হওয়ার জন্য তিনি সুপারিশ করবেন। একই সঙ্গে লাওসে অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী বার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশের কার্যকর অংশগ্রহণ থাকবে বলেও তিনি প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন।
উল্লেখ্য, এএডব্লিউসি হলো এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যদের একটি আন্তঃসংসদীয় প্ল্যাটফর্ম। এটি মূলত পানি নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, পানি ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক আইন ও নীতিগত সহযোগিতা জোরদার করতে কাজ করে থাকে।
গুরুত্বপূর্ণ এই সৌজন্য সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত মি. কিম জি-জুন এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।