বগুড়ার গাবতলী উপজেলার কাগইল ইউনিয়নের সাহাপুর ও আকুন্দপাড়া গ্রাম দুটি আজ এক মহৎ মানবিক দৃষ্টান্তের সাক্ষী হলো। শীতের এই সময়ে অসহায় ও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অসাধারণ উদ্যোগ নিলেন প্রবাসী শামীম। দূর প্রবাসে থেকেও তিনি অনলাইন মাধ্যমে সম্পূর্ণ তত্ত্বাবধান করে এই উষ্ণতার আয়োজন সফল করেছেন। আজ সকাল ঠিক ১০টায় তাঁরই নির্দেশনায় স্থানীয় অসহায় মানুষদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। এই দানশীলতা ও সহানুভূতির মাধ্যমে প্রবাসী শামীম এক অনন্য অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ সৃষ্টি করলেন, যা প্রমাণ করে দূরত্ব কোনো বাধা নয় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। কম্বল বিতরণ ও মানবিক সহায়তা: অনুষ্ঠানে প্রবাসী শামীম-এর পক্ষ থেকে তাঁর মামা রাসেল আহমেদ-এর ছোট ভাই জিহাদ মাধ্যম হয়ে অত্যন্ত সম্মান ও আন্তরিকতার সঙ্গে শীতার্তদের হাতে কম্বলগুলো তুলে দেন। প্রবাসী শামীম দেশের বাইরে অবস্থান করলেও নিয়মিতভাবে তাঁর এলাকার মানুষের খোঁজখবর রাখেন। তিনি তাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী সব ধরনের সহায়তা দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান। তাঁর এই মহৎ ও মানবিক উদ্যোগটি স্থানীয় মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা, ভালোবাসা ও সামাজিক দায়িত্ববোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে সাহাপুর ও আকুন্দপাড়ার অসহায় পরিবারের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন: মোছাঃ সাহিদা, মোছাঃ অপেলা, মোছাঃ সাহিদে, মোছাঃ সুফি, মোছাঃ ওমিশা, মোঃ রাজা মিয়া এবং মোছাঃ জুলেখা। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রবাসী শামীমের এমন মানবিক ও উদার উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, শীতের এই সময়ে অসহায় মানুষের কাছে এই কম্বলগুলো কেবল বস্তুগত সহায়তা নয়, বরং সান্ত্বনা ও আশার আলো হিসেবে পৌঁছেছে।
উপস্থিত সকলে প্রবাসী শামীম এবং সকল প্রবাসী ভাইদের জন্য দোয়া করেছেন। স্থানীয়রা উল্লেখ করেন, যারা নিঃস্বার্থভাবে দান করেন, তাদের আনন্দ ও তৃপ্তি একেবারেই ভিন্ন। মানবতার এই দৃষ্টান্ত সকলের হৃদয়ে অনুপ্রেরণা জাগিয়েছে এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মহৎ কাজ ছড়িয়ে দিয়েছে। প্রবাসী শামীম প্রমাণ করলেন, দেশ থেকে দূরে থেকেও নিজ এলাকার মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ অক্ষুণ্ণ রাখা সম্ভব, যা অন্য সকলকে মানবতার পথে উৎসাহিত করবে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৫ চলনবিলের সময়