টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার ১নং কাকড়াজান ইউনিয়নের গড়বাড়ী মৌজার চকপাড়া গ্রামের ৯৩০ নং খতিয়ানের ৭৮৫, ৭৮৬, ৭৮৭ ও ৭৮৮ নং দাগের উপর দিয়ে জোর পূর্বক রাস্তা নির্মাণ করেছে এলাকার প্রভাবশালী মহল। ভূক্তভোগী তাসলিমা আক্তার বলেন, সখিপুরের কাজী আশরাফ সিদ্দিকী তার হীন ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার নিমিত্তে আমার ক্রয়কৃত ভূমির উপর দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণ করেছে। ফলে আমি সীমাহীন ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। রাস্তা নির্মাণে বাঁধা দিলে রাতের অন্ধকারে চুরি করে রাস্তা নির্মাণ করে। একটি ক্ষেতের উপর দিয়ে দুটি রাস্তা নির্মাণ করা একটি ঘৃণ্য শত্রুতার বহিঃপ্রকাশ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরো বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং উপজেলা প্রকৌশলী আরিফুর রহমানকে বিষয়টি অবগত করালেও তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। উক্ত আশরাফ সিদ্দিকীর সাথে যোগসাজসে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদার মোখলেছুর রহমান, হামিদপুর গ্রামের হাতেম আলীর ছেলে নুরুল ইসলাম, চকপাড়া গ্রামের আফছার আলীর ছেলে মাহফুজ, এমনকি ভেকু চালক ফজলুও অবৈধভাবে ফসলী জমির উপর দিয়ে অবৈধভাবে রাস্তা নির্মাণ করে বলে তাসলিমা আক্তার প্রশাসনের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, অধিগ্রহণ আইন ২০১৭ এর (১) ৪ ধারা মোতাবেক আমাকে কোন প্রকার নোটিস করা হয়নি কিংবা কোন প্রকার ক্ষতিপূরণও আমাকে প্রদান করা হয়নি। বিনা নোটিসে জোরপূর্বক, বেআইনী ও পেশী শক্তির বলে আমার ফসলী জমির উপর দিয়ে রাস্তা নেওয়া হয়েছে, যা রীতিমতো অন্যায় এবং অত্যাচারের শামিল।
উল্লেখ্য যে, ১৩১ শতাংশ জমির উপর দিয়ে দুটি রাস্তা নির্মিত হওয়ায় আনুমানিক ৬০-৭০ শতাংশ জমি রাস্তায় শেষ করেছে।
ভূক্তভোগী তাসলিমা আক্তার আরো বলেন, প্রশাসনিক সহযোগিতা না পেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আমি শীঘ্রই আদালতে মামলা দায়ের করবো।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৬ চলনবিলের সময়