ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু মামলার বিচারে সাক্ষ্য দিয়েছেন তার কাছের একজন চিকিৎসক। তিনি জানিয়েছেন, একটি সাধারণ মূত্রবর্ধক ওষুধ দিলে ম্যারাডোনার শারীরিক অবস্থা মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো হতে পারত।
২০০০-এর দশকের শুরুতে ম্যারাডোনার চিকিৎসা করা এবং ২০২০ সালে তার ময়নাতদন্তে উপস্থিত থাকা ডা. মারিও শিটার বলেন, ‘প্রায় ৪৮ ঘণ্টায় তার অবস্থার স্পষ্ট উন্নতি হতো।’ শেষ দিনগুলোতে ম্যারাডোনার মৃত্যু কীভাবে ঠেকানো যেত, এই প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
এই নিবিড় পরিচর্যা বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, ‘প্রতিদিনই আমি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে এ ধরনের রোগী দেখি, যারা কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলার নিয়ে আসেন। আমরা তাদের মূত্রবর্ধক ওষুধ দিই, শরীর থেকে অতিরিক্ত তরল বের করি এবং ১২ ঘণ্টার মধ্যে তারা বাড়ি ফিরে যেতে পারেন।’
শিটারের আগে আরও বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য দিয়ে জানিয়েছেন, ম্যারাডোনার মৃত্যুর সময় তার একাধিক অঙ্গে অতিরিক্ত তরল জমে ছিল। বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তে অংশ নেওয়া আরেক চিকিৎসক কার্লোস কাসিনেল্লি বলেন, ‘তার শরীরে সর্বত্র পানি জমেছিল।’
এই লিটার লিটার তরল ‘এক সপ্তাহ বা দশ দিনের কম সময়ে’ জমার কথা নয় বলেও জানান তিনি, যা ইঙ্গিত করে যে চিকিৎসকদের এই ফোলাভাব আগেই লক্ষ্য করা উচিত ছিল।
১৯৮৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতানো এই কিংবদন্তি ২০২০ সালে বুয়েনোস আইরেসের উত্তরে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকার সময় পালমোনারি ইডিমা ও হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে ৬০ বছর বয়সে মারা যান। অস্ত্রোপচারের পর ঘরোয়া হাসপাতালে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি নিজেই। শিটার সেই সময় এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৫ চলনবিলের সময়