আগামীকাল (০১ জুন) রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার শুরু হচ্ছে। এ মামলায় আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি আশা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান।
রোববার (৩১ মে) সকালে শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ফুটবল ও আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারকার্য আদালতের কাছে আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে। আমাদের কাছে যে তথ্য প্রমাণ আছে তাতে আসামির সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত হবে এটা আমাদের প্রত্যাশা।
সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, এখনো পাইনি। সর্বশেষ সেশনের আগে কথা হয়েছিল। আমরা বলেছিলাম, ১৭ সদস্যের একটি সংবিধান সংশোধন কমিটি করতে চাই। সেখানে আমাদের পক্ষ থেকে সাতজন রাখা হয়েছে। অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে পাঁচজন রাখা হয়েছে এবং পাঁচজন বিরোধী দলের কাছ থেকে চাওয়া হয়েছে। তারা বলেছেন, সামনের সেশনে জানাবেন। আমরা অপেক্ষায় আছি। পেলেই আমরা জুলাই সনদের পথ ধরে সংবিধান সংশোধনের কাজ এগিয়ে নেব।
তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার আইন ও গুম কমিশন আইন নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে প্রথম কনসালটেশন করেছি। অনেক সুপারিশ এসেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। আমরা পর্যায়ক্রমে একটির পর একটি যাচাইবাছাই করে যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবতার নিরিখে সেগুলোকে সামনের কাতারে নিয়ে আসব।
তিনি আরও বলেন, মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। সমাজের সবাইকে মাদকের বিরুদ্ধ ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় নয়।
মন্ত্রী বলেন, সরকার সারাদেশে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামেলি কার্ড দেবে। এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি। দেশের বিভিন্ন এলাকায় কৃষক কার্ড চালু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে কৃষক কার্ড চালু করা হবে। মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিতদের সরকারিভাবে ভাতা প্রদানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, শৈলকুপা থানার ওসি হুমায়ুন কবির মোল্লা।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৫ চলনবিলের সময়