ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে কয়েকজন মার্কিন সেনা ইরানের হাতে বন্দি হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র সত্য গোপন করার চেষ্টা করলেও তা দীর্ঘদিন আড়াল করা সম্ভব হবে না।
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, আমাকে জানানো হয়েছে যে কয়েকজন মার্কিন সৈন্যকে আটক করা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে তারা যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। কিন্তু সত্যটি বেশি দিন গোপন থাকবে না।
লারিজানি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে ইরান পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে।
এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’ এর ২৭তম দফা হামলা চালিয়েছে। এতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি। খবর প্রেস টিভির।
শনিবার এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, সমন্বিত এই হামলায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। ইসরায়েলের অধিকৃত উত্তরাঞ্চলের সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, তাদের মহাকাশ বিভাগ নতুন ধরনের কঠিন জ্বালানিচালিত ‘খেইবার-শেকান’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হাইফা শহরের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্রে লক্ষ্যভেদী নির্দেশনা ব্যবস্থা রয়েছে।
এ ছাড়া ড্রোন ইউনিট যুক্তরাষ্ট্রের সেনা অবস্থান করা একটি ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি। তাদের দাবি, ‘মেরিনা’ নামের একটি এলাকায় মার্কিন বাহিনীর অবস্থানে ড্রোন হামলা করা হয়েছে।
আইআরজিসি জানায়, তাদের নৌবাহিনী বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু স্থাপনাতেও হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে সালমান বন্দরে মার্কিন বাহিনীর সামরিক সহায়তা স্থাপনা লক্ষ্য করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানের হামলার পর অধিকৃত অঞ্চলে বারবার সতর্কতা সাইরেন বেজে উঠছে এবং সেখানে জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৫ চলনবিলের সময়