১৯৬১ সালে প্রচলিত পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের জন্য আতঙ্ক, ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ প্রথা বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এসএসসি, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এই নির্দেশ দেন। এছাড়া এই সভায় এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ২ জুলাই চূড়ান্ত করা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, মূলত ১৯৬১ সালের একটি সেকেলে নীতিমালার কারণে এই ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রথা চালু ছিল। অথচ ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনেই এর কোনো অস্তিত্ব নেই।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘পরীক্ষাসংক্রান্ত বিধিতে কোনো অযৌক্তিক বিষয় থাকতে পারে না। বর্তমানে পরীক্ষাকেন্দ্রে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ নেই, তাই এই আদিম নীতিমালা বহাল রাখার কোনো মানে হয় না।
মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নীতিমালা পরিবর্তনের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার্থীরা আনন্দঘন পরিবেশে পরীক্ষা দেবে। তাদের ওপর এমন কোনো বিধিনিষেধ চাপিয়ে দেওয়া যাবে না, যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।’
সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর আগামী ২ জুলাই থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত করা হয়। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এবং পূর্ণ সিলেবাসের প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে পরীক্ষা কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। টানা ৫ সপ্তাহ ধরে এই পরীক্ষা চলবে। দীর্ঘ সাত বছর পর এবারই প্রথম শিক্ষার্থীরা পূর্ণ সিলেবাসে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে।
সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড এবং জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৫ চলনবিলের সময়