
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের টিকিট নিশ্চিত করার পথে কঠিন সমীকরণের ম্যাচে ২০০ ছুঁইছুঁই পুঁজি পেয়েছে পাকিস্তান। রেকর্ড গড়া এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন পাক ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান, যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তার প্রথম সেঞ্চুরি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যা পাকিস্তানি ব্যাটারদের মধ্যে দ্বিতীয়। তার আগে পাকিস্তানের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শতরানের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন আহমেদ শেহজাদ। ২০১৪ বিশ্বকাপে।
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে নামিবিয়ার বিপক্ষে বাঁচা মরার ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে ১৯৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে পাকিস্তান। দলের ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান হাঁকিয়েছেন দারুণ এক সেঞ্চুরি। ৫৮ বলে ১০০ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেলেছেন ফারহান। কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। ওপেনিং জুটিতে সাহিবজাদা ফারহান এবং সাইম আইয়ুবের ব্যাটে ভর করে ভালো শুরু পায় পাকিস্তান। যদিও সাইম বেশিক্ষণ টেকেননি। দলের ৪০ রানের মাথাতে ১২ বলে ১৪ রান করে বিদায় নেন সাইম। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৭ রান তোলে পাকিস্তান। তিনে নামেন অধিনায়ক সালমান আলী আঘা। টিকে থাকা ওপেনার ফারহানের সাথে ক্রিজে জমে যান সালমান। দুজনের কার্যকরী ব্যাটিংয়ে এগিয়েছে পাকিস্তানের ইনিংস। উইকেটের চারপাশে দারুণ সব শটে রান বের করেছেন দুজন। চালিয়েছেন আগ্রাসী ব্যাটিং।
সালমান ২৩ বলে ৩৮ রান করে দলের ১০৭ রানের মাথাতে থামেন। চারে নেমে সুবিধা করতে পারেননি খাজা নাফে। ৫ বলে ৫ রান করেছেন তিনি। এরপর ফারহানের সাথে জুটি বাঁধেন শাদাব খান। ফারহান ফিফটি তুলে নেন। ফিফটির পরেও ছুটে চলেছেন সাহিবজাদা ফারহান। নামিবিয়ার বোলারদের পিটিয়ে কচুকাটা করেছেন তিনি, দলের বোর্ডে তুলেছেন রান। ছুটেছেন সেঞ্চুরির দিকে। শেষ দিকে সেঞ্চুরির অনেক কাছে চলে যান ফারহান। শেষ ওভারে ছুঁয়েছেন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার। আরেক প্রান্তে তাণ্ডব চালিয়েছেন শাদাব খানও।
নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় পাকিস্তান। ২২ বলে ৩৬ রান করে টিকে ছিলেন শাদাব খান। ৫৮ বলে ১০০ রান করে অপরাজিত ছিলেন ফারহান।
নামিবিয়ার হয়ে ২ উইকেট নেন জ্যাক ব্রাসেল। ১ উইকেট তুলেছেন জেরার্ড ইরাসমাস।