৩ বাসে আগুন, ফিলিং স্টেশন ভাঙচুর

: ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রকাশ: 2 months ago

115

ঝিনাইদহে ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের মারধরে নিরব নামের এক যুবক নিহতের জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ফিলিং স্টেশন ভাঙচুর ও তিনটি বাসে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা।

শনিবার (৭ মার্চ) রাতে শহরের আরাপপুর এলাকার সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিন বাসে আগুন দেওয়া হয়। তবে এসব ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি বলে জানা গেছে।

নিহত নিরব কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার এলাকার বাদুরগাছা গ্রামের আলীমুর বিশ্বাসের ছেলে। তিনি ঝিনাইদহ শহরের সরকারি বালক বিদ্যালয়ের পাশে ফাস্টফুডের ব্যবসা করতেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন তিনি।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, রাত প্রায় ৩টার দিকে বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো হবে।

এর আগে রাত প্রায় ১টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা শহরের আরাপপুর এলাকায় অবস্থিত সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর চালায়।

নিহত নিরব আহমেদের খালাতো ভাই সোহেল হোসেন বলেন, আমার ভাই সহজ-সরল ছিলেন। মোটরসাইকেলের তেল নিতে গিয়ে পাম্পের কর্মীদের সঙ্গে তার সামান্য কথাকাটাকাটি হয়। কিন্তু কর্মীরা সন্ত্রাসী কায়দায় লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে আমার ভাইকে হত্যা করেছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।

সৃজনী পেট্রোল পাম্পের ক্যাশিয়ার আলামিন শেখ বলেন, শনিবার মধ্যরাতে অজ্ঞাতনামা ২০/৩০ জনের একটি দল পাম্পে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পুলিশ বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করে তিনটি মেশিন নষ্ট করেছে তারা।

ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহাফুজ হোসেন বলেন, ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করেছে। পাশাপাশি সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, শনিবার রাত ৮টার দিকে বাস টার্মিনাল এলাকার তাজ ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের মারধরে নিরব মারা যান।

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com