বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা বলেছেন, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু মানুষের অধিকার আদায়ে পূজা উদযাপন পরিষদ একটি বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংগঠনটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঐক্যবদ্ধ করে জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমমর্যাদা ও সম-অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে।
শুক্রবার (২২ মে) সকাল ১১টায় সিলেট নগরীর শিববাড়ী জৈনপুরস্থ শ্রী শ্রী মহালক্ষ্মী ভৈরবী গ্রীবা মহাপীঠে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমা থানা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হলেও সংখ্যালঘু মানুষের ওপর নির্যাতন ও বৈষম্যের অবসান হয়নি। বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন না থাকায় এখনও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। তিনি সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন ও সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন, জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা এবং দেবোত্তর সম্পত্তি আইন প্রণয়নসহ ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নে সকল সনাতনীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
পূজা উদযাপন পরিষদ দক্ষিণ সুরমা থানা শাখার সভাপতি দিপংকর দাসের সভাপতিত্বে এবং সদস্য-সচিব নিখিল মালাকারের পরিচালনায় সম্মেলনে উদ্বোধকের বক্তব্য রাখেন পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মলয় পুরকায়স্থ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, পূজা উদযাপন পরিষদ মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক চন্দন দাশ, জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শৈলেন কুমার কর, মহানগরের গ্রন্থণা প্রকাশনা সম্পাদক নন্দন চন্দ্র পাল।
এ সময় উপস্থিত রাখেন মনমোহন দেবনাথ, রাজু পাল, বিশ্বজিৎ দাস, অরিন্দন দাস হাবলু, শিবব্রত ভৌমিক চন্দন, জনার্দন চক্রবর্তী, প্রতাপ চৌধুরী, প্রদীপ বর্ধন, প্রদীপ ঘোষ, চন্দ্রশেখর চপল।
অন্যান্যের মধ্যে জয়ন্ত গোস্বামী, অসীম দেব, শ্যামল দেবনাথ, সুমন চন্দ্র রায়, মিন্টু দাস, অপন দাস, সুবল পাল, শান্ত চন্দ্র মালাকার, অরুন দাস, অজিত দাস, হিরা কর, বিতুষ কর, সজল পাল, জিতেশ পাল, অ্যাডভোকেট শুভ দেব, বিশ্বজিৎ দে রিঙ্কু, রিংকু দাস, তপু দাস, রাজন দেবনাথ, প্রবেশ দেবনাথ, রঞ্জিত ধর, সুব্রত দাস সুইট, মিঠু পাল।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, রাজন দেবনাথ, অজিত ঘোষ, লিটন মালাকার, নীলমণি কর, মিঠু দেব, মিন্টু পাল, মিহির সরকার, পঙ্কজ চন্দ, সুব্রত দেব লাভলু, শ্রীবাস মালাকার, বিষু দেবনাথ, অমিতাভ বাপ্পা সুমন দেবনাথ, বাবলু দাস, তপন রায় প্রমুখ।
সম্মেলনের শুরুতে পবিত্র গীতা পাঠ করেন রিয়া রায় মিতু।
পরে কাউন্সিলের মাধ্যমে দিপংকর দাসকে সভাপতি এবং নিখিল মালাকারকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ৫১ সদস্যবিশিষ্ট দক্ষিণ সুরমা থানা কমিটি গঠন করা হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ লুৎফর রহমান হীরা
হেড অফিসঃ ১/ জি,আদর্শ ছায়ানীড়, রিংরোড, শ্যামলী, আদাবর ঢাকা - ১২০৭।
স্বত্ব © ২০২৫ চলনবিলের সময়