সুজা মেম্বারের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে রহস্য, এইচ এম ওয়াদুদকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা নাকি পরিকল্পিত নাটক? - চলনবিলের সময়

সুজা মেম্বারের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে রহস্য, এইচ এম ওয়াদুদকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা নাকি পরিকল্পিত নাটক?

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: January 26, 2026

298

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দেউলী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুজা মিয়ার পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ঘিরে এলাকায় তীব্র আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একই ঘটনা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে দেওয়া তার দুই ধরনের বক্তব্য স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। অনেকের কাছেই বিষয়টি এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে—এটি কি পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতা এইচ এম ওয়াদুদকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানোর একটি অপচেষ্টা?
গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুজা মিয়ার একটি অডিও ক্লিপ ফাঁস হয়। ওই অডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, বিএনপি নেতা এইচ এম ওয়াদুদ চাঁদা না দেওয়ায় জাহাঙ্গীর নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করা হয়েছে। অডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই বিষয়টি এলাকায় দ্রুত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
তবে ঘটনার নাটকীয় মোড় আসে আজ, যখন সুজা মিয়া প্রকাশ্যে সম্পূর্ণ ভিন্ন সুরে কথা বলেন। তার আজকের বক্তব্যের সঙ্গে গতকালের ফাঁস হওয়া অডিও বক্তব্যের কোনো মিল নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। একদিকে অডিওতে এক ধরনের গুরুতর অভিযোগ, অন্যদিকে প্রকাশ্যে সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাখ্যা—এই দ্বিমুখী বক্তব্যে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলেছে সুজা মিয়া ও বিএনপি নেতা এইচ এম ওয়াদুদের মধ্যকার কথোপকথনের একটি কল রেকর্ড। এই কল রেকর্ড ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে—তাহলে কোন বক্তব্যটি সত্য? আর একই ঘটনা নিয়ে বারবার বক্তব্য পরিবর্তনের পেছনে প্রকৃত উদ্দেশ্যই বা কী?
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব নয়। তারা মনে করছেন, যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা বা ফাঁসানোর চেষ্টা হয়ে থাকে, তবে সেটিও গভীরভাবে তদন্তের আওতায় আনা জরুরি।
একই সঙ্গে তারা দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে একক, স্পষ্ট ও সত্যনিষ্ঠ বক্তব্য প্রত্যাশা করছেন, যাতে চলমান বিভ্রান্তির অবসান ঘটে এবং প্রকৃত সত্য জনসম্মুখে প্রকাশ পায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়াদুদ বলেন সাজু রাস্তার  বাজেটের পুরো টাকার কাজ করেন নাই এবং বাজেটের টাকা কাজে না লাগিয়ে নয় ছয় করেছে। অন্য দিকে ইউপি সদস্য সাজু মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তার ফোন বন্ধ থাকায় তাহার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় না।