গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় গণমাধ্যমকর্মী

: চলনবিলের সময় ডেস্ক
প্রকাশ: 15 hours ago

32

একজন গণমাধ্যম কর্মীকে নির্ভুল, ন্যায়সঙ্গত ও সাহসিকতার সঙ্গে নির্বাচন কাভার করতে হবে। তেমনি নির্বাচনী প্রতিবেদন, এডিট করার ক্ষেত্রেও কোনোভাবেই দলীয় পক্ষ নেওয়া যাবে না। এর মাধ্যমে জনগণ ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন গণমাধ্যমকর্মীরা।

প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) আয়োজনে ঢাকা মহানগর সাংবাদিকদের জন্য নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতাবিষয়ক প্রশিক্ষণে এ তথ্য জানানো হয়।

বৃহস্পতি ও শুক্রবার (৫-৬ ফেব্রুয়ারি) পিআইবির মিলনায়তনে ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশ নেন ঢাকা সাব এডিটর কাউন্সিলের ৫০ জন সদস্য।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিন।

এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন, সমন্বয়ক সিনিয়র প্রশিক্ষক গোলাম মুর্শেদ, প্রশিক্ষক সিনিয়র সাংবাদিক জিয়াউর রহমান, আমার দেশ এর উপ-সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, ঢাকা সাব এডিটর কাউন্সিলের সভাপতি মুক্তাদির অনিক, সাধারণ সম্পাদক জওহর ইকবাল খান, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক তারেক হোসেন বাপ্পি প্রমুখ।

ওবায়দুর রহমান শাহিন বলেন, ‘সাংবাদিকতায় তথ্য যাচাইয়ের অগ্রাধিকার সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং নীতি-নৈতিকতার কোনো বিকল্প নেই।’

গণভোট, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট ২০২৬, নির্বাচন ও সংবিধান, নির্বাচনী বাজেট, ইত্যাদি বিষয়গুলো তুলে ধরেন সুলতান মাহমুদ। এবার ৪টি বিষয়ের ওপর গণভোট হবে।

১. নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।

২. আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।

৪. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।