
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে চাঁদাবাজি ও দস্যুতার পৃথক অভিযোগে ছাত্রদলের কর্মীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে অপহরণ করে আটকে রাখা দুইজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী নাজমুল হক। এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, বারইয়ারহাট পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সোনাপাহাড় এলাকার মো. আলমগীরের ছেলে সাফায়েত হোসেন শুভ (২৫) ও কাটাছরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বামনসুন্দর এলাকার দেলু মিয়া সওদাগর বাড়ীর গোলাম রব্বানী ছেলে রফিকুল ইসলাম সোহেল (৩৭)।
সাফায়েত হোসেন বারইয়ারহাট পৌর ছাত্রদলের কর্মী।
পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাপাহাড় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মস্তাননগর বিশ্বরোড এলাকায় নাছিমা আক্তার (৪৮) নামের এক নারীকে কৌশলে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরবর্তীতে তার হাত ও চোখ বেঁধে আটকে রাখে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত রফিকুল ইসলাম সোহেলকে বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
অপরদিকে, একই দিন চাঁদা দাবির অভিযোগে সাফায়েত হোসেন শুভকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার হেফাজতে থাকা জাবেদ উদ্দিন রনিকে উদ্ধার করা হয়। তাকে আটকে রেখে পরিবার থেকে চাঁদা দাবি করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী নাজমুল হক বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের পর স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজি ও দস্যুতার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।