
দীর্ঘদিন ধরেই দেশের বাইরে আছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এ মুহূর্তে তার মূল লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরে আইনি জটিলতার সমাধান করা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ভবিষ্যতে আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সম্প্রতি একটি ইংরেজি দৈনিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন নির্বাসনে থাকা এই অল-রাউন্ডার। ক্রিকেট, রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি।
দেশে ফেরার সম্ভাবনা কতটুকু এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আশাবাদী। আমি সবসময়ই আশাবাদী মানুষ। আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যদি দ্রুত সবকিছু সমাধান করতে পারি, নাহলে সময় লাগতে পারে। তবে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি দ্রুত বিষয়গুলো মিটিয়ে ফেলতে। যত দ্রুত এগুলো সমাধান হবে, তত দ্রুত আমি ফিরতে পারব।
তিনি আরও বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই, কেউ যদি নিজের দেশে যেতে না পারে, তাহলে সে দেশকে মিস করবেই। আমিও ব্যতিক্রম নই, আমি দেশকে ভীষণ মিস করি। আশা করি শিগগিরই ফিরতে পারব, আর তখন অবশ্যই খুব ভালো লাগবে।’
ক্রিকেট নিয়ে তার ভাবনা জানাতে গিয়ে বলেন, ‘ভবিষ্যতে রাজনীতি করার সুযোগ সবসময়ই থাকবে। তবে একজন ক্রিকেটার হিসেবে সময় সীমিত, তাই এখন পুরো মনোযোগ খেলাতেই রাখতে চাই।’
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে তিনি বলেন, মাঝে মাঝে আলোচনা হলেও বেশিরভাগ বিষয় তাকে নিজ উদ্যোগেই সামলাতে হচ্ছে। তার ধারণা, বোর্ড সরাসরি আইনি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হলে সমাধান আরও দ্রুত হতে পারত।
উল্লেখ্য, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য ছিলেন সাকিব আল হাসান। জুলাইয়ে রাজপথ উত্তাল হওয়ার আগেই দেশ ছেড়েছিলেন সাকিব। এরপর প্রায় দুই বছরে আর দেশে ফেরার সুযোগ হয়নি তার। বর্তমানে নিজের পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন তিনি।