
টাঙ্গাইলের সখিপুরের মসজিদে রোডস্থ “দুইভাই গ্রাফিক্স এন্ড কম্পিউটার” নামক কম্পিউটারের দোকান থেকে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ-২০২৬) প্রায় ৬০,০০০/-(ষাট হাজার) টাকার মালামাল চুরি হয়েছে। জানা যায়, গত ৩১ জানুয়ারি ওই দোকানের কিছু সংখ্যক মালামাল উপজেলার গড়বাড়ী গ্রামের শান্ত নামক ব্যক্তির নিকট ৮৫,০০০/-(পঁচাশি হাজার) টাকার বিনিময়ে সাংবাদিক আবুল কাশেম বিক্রি করেন। এ ব্যাপারে ১৪,০০০/-(চৌদ্দ হাজার) টাকা বায়না করা হয় এবং এক সপ্তাহের মধ্যে বাকী টাকা পরিশোধ করে যাবতীয় মালামাল নিয়ে যাওয়ার চুক্তি হয়। কিন্তু শান্ত’র সহযোগী কৃষক শ্রমিক জনতালীগের কর্মী শেখ সাদিক নামক জনৈক ব্যক্তির কুপরামর্শে সে (শান্ত) টাকা দিতে টালবাহানা করতে থাকে। এভাবে দুই মাসের অধিককাল সময় পার হয়ে যায়। এ সময়ের মধ্যে শান্ত টাকাও দেয় না মুঠোফোনেও তাকে পাওয়া যায়নি। হঠাৎ করে গত ২৭ মার্চ শুক্রবার সাংবাদিক আবুল কাশেম কে শান্ত ফোন করে টাকা দিতে আসে। কিন্তু মাত্র ৪৫,০০০/-(পঁয়তাল্লিশ হাজার) টাকা প্রদান করে বাকী টাকা একটু পরে দেওয়ার কথা বলে চাবি নিয়ে দোকানের যাবতীয় মালামাল এমনকি যা বিক্রি করা হয়নি সেগুলোও নিয়ে যায়(এর মধ্যে চল্লিশ হাজার টাকা মূল্যের বেশি কাগজ-পত্র ছিলো)। তারপর তাকে বারবার তাগিদ দেওয়া সত্বেও টাকা পরিশোধ করেনি। টাকা না পেয়ে সাংবাদিক আবুল কাশেম গত ৩১ মার্চ সখিপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। সখিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হেলাল উদ্দিন পিপিএম শান্তি দাস নামক এসআই এর উপর অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী তদন্ত সাপেক্ষে উভয় পক্ষকে তিনি থানায় ডেকে পাঠান। সেখানে একাধিক নেতা এবং সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে অভিযোগটি সত্য বলে প্রতীয়মান হলে শান্ত মিয়া বাকী টাকাগুলো পরের দিন পরিশোধ করার কথা স্বীকার করে থানা থেকে বের হয়ে যায়। কিন্তু তারপর এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও সে টাকা পরিশোধ করেনি। বিষয়টি থানায় জানালে উক্ত এসআই বলেন, ‘আমার কিছু করার নেই, আদালতে মামলা করেন।’ এমতাবস্থায় উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা চলছে। যে কোন সময় অপ্রীতিকর কিছু ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে পক্ষগুলোর ভাষ্যমতে জানা গেছে।