
ঋতুপর্ণা চাকমা-শিউলি আজিমদের মতো পুরোনো মুখের ভিড়ে আসন্ন নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের দলে আছেন অনিকা রানিয়া সিদ্দিকী। সুইডেন প্রবাসী এ ফুটবলার থাইল্যান্ডে চলমান অনুশীলনের ফাঁকে প্রস্তুতি ম্যাচে গোলও করেছেন। লাল-সবুজ জার্সিতে এটি সূচনা মাত্র—সামনের দিনগুলোতে এভাবে আরও গোল করতে চান, এনে দিতে চান সাফল্য।
থাইল্যান্ডে প্রস্তুতি ম্যাচে গোলের প্রতিক্রিয়ায় অনিকা রানিয়া সিদ্দিকী বলছিলেন, ‘শুরুটা দারুণ হয়েছে। গোল করতে পেরে আমি আনন্দিত। সামনে এখনো অনেকটা পথ বাকি, আমি আগের চেয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী এবং স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছি। আশা করছি ভবিষ্যতে আরও গোল পাব এবং দলের ফল আরও ভালো হবে।
২৫ মে শুরু হবে নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ, শেষ হবে ৭ জুন। ২০২২ সালে প্রথম উপমহাদেশীয় মুকুট জয় করা বাংলাদেশ সেটা ধরে রেখেছে ২০২৪ সালে। এবার বাংলাদেশ নামছে হ্যাটট্রিক মিশনে। আসরের ‘বি’ গ্রুপে ভারত ও মালদ্বীপ সঙ্গী হয়েছে চ্যাম্পিয়নদের। ২৯ মে মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মিশন শুরু হবে। ৩১ মে মালদ্বীপের বিপক্ষে পরের গ্রুপ ম্যাচ খেলবে লাল-সবুজরা।
আসরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এক সপ্তাহ চট্টগ্রামের দক্ষিণ কোরিয়ান ইপিজেডে অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ। সেখান থেকে ফিরে ঢাকায় কয়েক সেশন অনুশীলন করেছে পিটার বাটলারের দল। পরবর্তী সময়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য থাইল্যান্ড গেছেন দলের সদস্যরা। সেখানে চলমান প্রস্তুতি সম্পর্কে অনিকা রানিয়া সিদ্দিকী বলছিলেন, এখন পর্যন্ত সফরটি বেশ ভালো চলছে। আমরা চট্টগ্রামে এক সপ্তাহের ক্যাম্প দিয়ে শুরু করেছিলাম। সেখানে একটি ভালো শুরু ছিল এবং এখন আমরা থাইল্যান্ডে আছি। এখানে বেশ গরম, তবে আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছি এবং প্রতিটি দিন ধরে ধরে সামনে এগোচ্ছি।
২১ মে থাইল্যান্ড থেকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের জন্য ভারতের গোয়ায় যাবে বাংলাদেশ দল। এর আগে চলমান প্রস্তুতি সম্পর্কে অনিকা রানিয়া সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি মনে করি এখানকার সুযোগ-সুবিধা চমৎকার। থাইল্যান্ডের এই ক্যাম্পের সুযোগ-সুবিধাগুলো সত্যিই দারুণ। আমাদের এখানে খুব ভালো পিচ, ড্রেসিংরুম, আইস বাথসহ সবকিছুই আছে। এটি আমাদের অনেক সাহায্য করবে। যেহেতু এখানকার আবহাওয়া বেশ তপ্ত, আমার মনে হয় ভারতে আরও ভালোভাবে মানিয়ে নিতে পারব।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নিজের প্রত্যাশা সম্পর্কে সুইডেন প্রবাসী এই ফুটবলার বলছিলেন, ‘প্রত্যাশা অনেক বেশি। আমরা জিততে চাই এবং বাংলাদেশের জন্য ট্রফি নিয়ে যেতে সেরাটা উজাড় করে দেব।