
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে ভ্যানচালককে মারধরের অভিযোগে ২২ জন শিক্ষক ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) পটুয়াখালীর বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত মামলাটি সিআর মামলা হিসেবে গ্রহণের আদেশ দেন।
মামলাটি করেছেন দুমকি উপজেলা বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত কোষাধ্যক্ষ ও পীরতলা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো. বশির উদ্দিন। মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১১ মে সকাল ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা বাদীকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ মোট ২২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে উল্লিখিতদের মধ্যে রয়েছেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মো. আতিকুর রহমান, মৃত্তিকা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এ বি এম সাইফুল ইসলাম, ইকোনমিক্স অ্যান্ড সোশিওলজি বিভাগের অধ্যাপক আবুল বশার খান, এনিম্যাল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক মো. শাহাবুদ্দিন আলম, পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক স্বপন কৌঁজারী, ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক ও রাহাত মাহমুদ, সিকিউরিটি অফিসার মো. মুকিত, ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বিভাগের কর্মকর্তা মো. মহিবুল কবির, সহকারী রেজিস্ট্রার রিয়াজ কাওছার শহিদ, সেকশন অফিসার শাহাদত হোসেন নাঈমসহ আরও অনেকে।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলমান অস্থিরতার মধ্যেই এ মামলা দায়ের হওয়ায় শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, উপাচার্য ড. কাজী মো. রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলমান আন্দোলনের সময় হামলার ঘটনায় প্রশাসনের দায়ের করা মামলার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এ মামলা করা হয়েছে। তাদের ভাষ্য, মামলাটি সাজানো এবং এর কোনো ভিত্তি নেই।
তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।