
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য মজুত করা ২৫টি চোরাই গরু জব্দ করেছে পুলিশ। এসময় চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) দুপুরে উপজেলার দড়িচর খাজুরিয়া ইউনিয়নে বামনের চর এলাকায় মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে আটক ব্যক্তিরা হলেন, বামনের চর এলাকার বাসিন্দা রাসেল দেওয়ান, ইমন দেওয়ান ও রাকিব দেওয়ান। তাদের মধ্যে রাসেল ও ইমন মেঘনা, কলাবদর নদীতে চুরি ও নৌ ডাকাত চক্রের অন্যতম নেতা। তাদের দুজনের বিরুদ্ধে সাতটি চুরি ও ডাকাতি মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে।
পুলিশের দাবি- ওই এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির গোয়াল ঘরে আরও অর্ধ শতাধিক চোরাই গরু লুকিয়ে রাখা হয়েছে। যা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মেহেন্দিগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মতিউর রহমান জানান, রাসেল ও ইমনের নামে চুরি এবং ডাকাতিসহ ৭টি মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি চরের মধ্যে ২৫টি গরু পাওয়া গেছে। যার মালিক খুঁজে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া রাসেল ও ইমন গরুগুলো দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি করে এনে কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য মজুত করেছে। তবে আটক ব্যক্তিরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাই গরুগুলো পরিত্যক্ত দেখিয়ে জব্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন চরে কোরবানি উপলক্ষে চোরাই গরু মজুত করা হয়েছে। এর মধ্যে দাদপুর চরে প্রভাবশালী একটি চক্র বেশি কিছু চোরাই গরু মজুত করেছে।
জানা গেছে, এর আগেও দাদপুর চর থেকে ৭টি চোরাই গরু উদ্ধার করে পুলিশ। ওইসময় এক চোরকে আটক করা হয়। তবে চক্রের মূল হোতা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এ কারণেই গরু চোর চক্রের দৌরাত্ম্য কমছে না।