ফাঁসির রায়ে খুশি বাবা

: চলনবিলের সময় ডেস্ক
প্রকাশ: 4 hours ago

7

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার (৮) ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোহেল ও তার সহযোগী স্ত্রী স্বপ্নার বাড়ি নাটোরের সিংড়ায়। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের বিচারে অভিযুক্ত দম্পতির সর্বোচ্চ সাজার রায় মেনে নিয়েছে সোহেলের পরিবার। মেয়ের ফাঁসির রায়ে খুশি হয়েছেন স্বপ্নার বাবা।

রোববার (৭ জুন) দুপুরে রামিসা হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর হত্যাকারী সোহেলের নিজ এলাকায় নাটোরের সিংড়ার মহেশচন্দ্রপুর গ্রামের মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেন।

এদিন দুপুরে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সোহেলের বাড়িতে গিয়ে অন্য দিনের মতোই স্বাভাবিক অবস্থা দেখা যায়। দুপুরে পরিবারের সদস্যদের নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়।

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এদিন সোহেলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার রায়ের কথা তারা জানতেন না। স্থানীয় লোকজন তাদের বাড়ি এসে রায় ঘোষণার কথা জানান।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সোহেলের বোন জলি বেগম বলেন, আমার ভাইয়ের ফাঁসি হবে এটা আমরা ধারণা করেছিলাম। ফাঁসির রায় আমরা মেনে নিয়ে। আমাদের সামর্থ্য থাকলে আপিল করতাম।

সোহেলের বাবা জাকির হোসেন ও সোহেলের মা সাজেদা বেগম বলেন, আমরা এতটাই গরিব যে আপিল করার মতো টাকা আমার নেই। সরকার আইনজীবী দিলে আমরা আপিল করব।

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান সহযোগী স্বপ্নার বাবা জিয়াদুল বলেন, রামিসার মতো মাছুম বাচ্চাকে এভাবে হত্যা করা হলো এ ঘটনা মেনে নেওয়ার মতো না। আমি মেয়ে স্বপ্নাকে অনেক আগেই ত্যজ্য করেছিলাম। মেয়ের এই রায়ে আমি খুশি। দ্রুতই বিচার বাস্তবায়ন হোক এটাই চাই। কোনো আপিল পরিবার থেকে করা হবে না।

প্রতিবেশী আবুবক্কর ও আবু সাইদ বলেন, স্বপ্নার কপালে শনি পড়েছে। সোহেল তার তৃতীয় স্বামী। বাবা-মার অমতে তাকে বিয়ে করার পর তার সঙ্গে পরিবারের সম্পর্ক আর ছিল না। আমরা তাদের দুজনের শাস্তি চাই।