ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সানজিদ খানের ‘এভাবেও প্রেম আসে’ নাটকে প্রান্তর-নুসরাত বিদ্যুৎ খাতের প্রকল্পে দ্রুত অর্থায়নে চীনা ব্যাংককে সরকারের অনুরোধ অবশেষে ক্ষমা চাইলেন ফিফা সভাপতি কৃষিকাজে পর্যাপ্ত আয় না হওয়ায় অনেকে এ পেশা ছেড়ে যাচ্ছেন: রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনে রিয়াদ বিমানবন্দরে ২০ বার হুতিদের হামলা, নিহত ১৭ দেশ ও সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী পরিস্থিতি জটিল করতে জবিতে মন্দিরের পাশে গরুর মাংস রান্না: ছাত্রদল সেক্রেটারি দুর্গাপূজায় রামকৃষ্ণ মিশনে আসছেন রাষ্ট্রপতি ও ভারতীয় হাইকমিশনার সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গাবতলীতে দুই পরিবারকে টিনশেড ঘর ও চারজনকে অটোভ্যান উপহার দিলেন আলোর সন্ধানী সমাজকল্যাণ পরিষদ

অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলা করে ‘প্যান্ডোরার বাক্স’ খুলেছে ইউক্রেন: পুতিন




ইউক্রেন রাশিয়ার অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ‘প্যান্ডোরার বাক্স’ খুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর জবাবে ইউক্রেনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অর্থনৈতিক খাতে হামলা চালানো হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। খবর রয়টার্সের।

শনিবার প্রকাশিত এক মন্তব্যে পুতিন বলেন, ইউক্রেনের সরকার রাশিয়ার অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে। এখন এর পাল্টা জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে মস্কো।

রুশ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক সাংবাদিককে পুতিন বলেন, কিয়েভ সরকার আমাদের অর্থনীতির ক্ষতি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এতে তারা কী করেছে? নিজেরাই প্যান্ডোরার বাক্স খুলেছে। তাহলে আমাদের পাল্টা জবাবের জন্য প্রস্তুত থাকুন। ইউক্রেনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অর্থনৈতিক খাতগুলোকে লক্ষ্য করে এবার হামলা চালানো হবে।

চলতি গ্রীষ্মে রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবকাঠামোয় ড্রোন হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন। দেশটির হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে তেল শোধনাগার, অনলাইন খুচরা বিক্রেতাদের গুদামসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক স্থাপনা রয়েছে। ইউক্রেনের দাবি, এসব অবকাঠামো রাশিয়ার যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এর পাল্টায় ইউক্রেনের অর্থনৈতিক অবকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে রাশিয়াও। কৃষ্ণসাগর দিয়ে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির অবকাঠামোও রুশ হামলার লক্ষ্য হয়েছে।

পুতিন বলেন, এসব হামলার কারণে ইউক্রেনের কৃষিপণ্য রপ্তানি ব্যাহত হলেও বিশ্ববাজারে খাদ্যসংকট তৈরি হবে না। রাশিয়া চাইলে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির ঘাটতি পূরণ করতে পারবে বলেও দাবি করেন তিনি।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়ার নিজেদের পণ্য পরিবহনেও কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে এসব সমস্যা তারা সমাধান করতে পারবেন। ফলে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের ঘাটতি হবে না।

কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য রপ্তানি নিরাপদ রাখতে এর আগে তুরস্কের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল। তবে ২০২৩ সালে সেই চুক্তি থেকে সরে আসে মস্কো।

শান্তি আলোচনার বিষয়ে নিজেদের অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেছেন পুতিন। তিনি বলেন, মস্কো শান্তি আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে তা হতে হবে যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তবতার ভিত্তিতে।

ইউক্রেন মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যে প্রস্তাবগুলো দিয়েছে, সেগুলোকে অদ্ভুত ও বাস্তবতাবিবর্জিত বলে মন্তব্য করে পুতিন বলেন, এসব প্রস্তাবের ভিত্তিতে কোনো সমঝোতায় যেতে রাজি নয় মস্কো।

সূত্র : রয়টার্স

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

সানজিদ খানের ‘এভাবেও প্রেম আসে’ নাটকে প্রান্তর-নুসরাত

অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলা করে ‘প্যান্ডোরার বাক্স’ খুলেছে ইউক্রেন: পুতিন

আপডেট সময় : ০৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬

ইউক্রেন রাশিয়ার অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ‘প্যান্ডোরার বাক্স’ খুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর জবাবে ইউক্রেনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অর্থনৈতিক খাতে হামলা চালানো হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। খবর রয়টার্সের।

শনিবার প্রকাশিত এক মন্তব্যে পুতিন বলেন, ইউক্রেনের সরকার রাশিয়ার অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে। এখন এর পাল্টা জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে মস্কো।

রুশ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক সাংবাদিককে পুতিন বলেন, কিয়েভ সরকার আমাদের অর্থনীতির ক্ষতি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এতে তারা কী করেছে? নিজেরাই প্যান্ডোরার বাক্স খুলেছে। তাহলে আমাদের পাল্টা জবাবের জন্য প্রস্তুত থাকুন। ইউক্রেনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অর্থনৈতিক খাতগুলোকে লক্ষ্য করে এবার হামলা চালানো হবে।

চলতি গ্রীষ্মে রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবকাঠামোয় ড্রোন হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন। দেশটির হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে তেল শোধনাগার, অনলাইন খুচরা বিক্রেতাদের গুদামসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক স্থাপনা রয়েছে। ইউক্রেনের দাবি, এসব অবকাঠামো রাশিয়ার যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এর পাল্টায় ইউক্রেনের অর্থনৈতিক অবকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে রাশিয়াও। কৃষ্ণসাগর দিয়ে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির অবকাঠামোও রুশ হামলার লক্ষ্য হয়েছে।

পুতিন বলেন, এসব হামলার কারণে ইউক্রেনের কৃষিপণ্য রপ্তানি ব্যাহত হলেও বিশ্ববাজারে খাদ্যসংকট তৈরি হবে না। রাশিয়া চাইলে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির ঘাটতি পূরণ করতে পারবে বলেও দাবি করেন তিনি।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়ার নিজেদের পণ্য পরিবহনেও কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে এসব সমস্যা তারা সমাধান করতে পারবেন। ফলে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের ঘাটতি হবে না।

কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য রপ্তানি নিরাপদ রাখতে এর আগে তুরস্কের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল। তবে ২০২৩ সালে সেই চুক্তি থেকে সরে আসে মস্কো।

শান্তি আলোচনার বিষয়ে নিজেদের অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেছেন পুতিন। তিনি বলেন, মস্কো শান্তি আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে তা হতে হবে যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তবতার ভিত্তিতে।

ইউক্রেন মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যে প্রস্তাবগুলো দিয়েছে, সেগুলোকে অদ্ভুত ও বাস্তবতাবিবর্জিত বলে মন্তব্য করে পুতিন বলেন, এসব প্রস্তাবের ভিত্তিতে কোনো সমঝোতায় যেতে রাজি নয় মস্কো।

সূত্র : রয়টার্স