অসময়ে ফুলকপি চাষে ভাগ্যের চাকা ঘুরছে গাবতলীর উপজেলা কাগইল ইউনিয়নের কৃষকদের

: রাসেল আহম্মেদ ( স্টাফ রিপোর্টার) বগুড়া
প্রকাশ: 2 months ago

119

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার কাগইল ইউনিয়নের সাহাপুর ও মীরপুর নতুন বাজার সংলগ্ন বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন সবুজের সমারোহ। শীতকালীন সবজি হিসেবে পরিচিত ফুলকপি এখন অসময়ে চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। প্রখর রোদ আর প্রতিকূল আবহাওয়াকে জয় করে মাঠের পর মাঠ শোভা পাচ্ছে উন্নত জাতের এই ‘চৈত্রি কপি’। সরেজমিনে দেখা যায়, সাহাপুর ও মীরপুর নতুন বাজার এলাকার মাঠগুলোতে এখন পর্যাপ্ত পরিমাণে ফুলকপির ফলন রয়েছে। সাধারণ সময়ে যেখানে শীত শেষে সবজির দাম কমে যায়, সেখানে অসময়ে এই কপি চাষ করে বাড়তি লাভের স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা। স্থানীয় অভিজ্ঞ চাষি সিরাজুল ইসলাম সাজু জানান, চৈত্র মাসের এই কপি চাষ যেমন লাভজনক তেমনি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং। তিনি বলেন, “বর্তমানে বাজারে ১৬০০ থেকে ১৭০০ টাকা মণে এই কপি বিক্রি হচ্ছে। সাধারণত ৬ থেকে ৭টি কপি মিলে ৫কেজি ওজন হয়। বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় আমরা আশাবাদী।”

​তবে এবারের চূড়ান্ত লাভ বা প্রত্যাশা নিয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না কৃষকেরা। তাদের মতে, আবহাওয়া শেষ পর্যন্ত অনুকূলে থাকলে এবং বাজারদর স্থিতিশীল থাকলে তারা গত বছরের তুলনায় অধিক মুনাফা অর্জন করতে পারবেন। কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, গাবতলীর এই চৈত্রি কপির ফলন স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অন্যান্য জেলাতেও সরবরাহ করা সম্ভব। অসময়ে সবজি চাষে কৃষকদের এই আগ্রহ গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার করছে। মাঠজুড়ে এখন নিবিড় পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন সাহাপুর ও মীরপুর এলাকার মেহনতি কৃষকেরা।

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com