সংবাদ শিরোনাম ::
বর্তমান স্ত্রীর দাবি ৩০ বছরে তিন বউ ছাড়া কিছুই দেয়নি কাঞ্চন ট্রাম্পের ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম দাদার স্মরণে প্রথম ম্যারাথনে অংশগ্রহণ ফিনিশ লাইনের ২ মাইল আগে থেমে গেল র‍্যাচেলের জীবন বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা ও সংঘাত বাড়ছে, সতর্ক করলেন রাজা চার্লস পাহাড়সম ব্যর্থতা ঢাকতে বিরোধীদলের ওপর দায় চাপাচ্ছে সরকার: জামায়াত আমির ওয়াই আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর শিবগঞ্জে এসআরবির অভিযানে কফ রিলিফ, ফায়ারডিল ও বিদেশি মদ উদ্ধার শাজাহানপুরে করতোয়া নদীর ওপর দুবলাগাড়ী সেতু দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আশার আলো চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহনের সময় ৮০ বস্তা সার জব্দ, ডিলারসহ দুজনের কারাদণ্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ককটেল ও রামদাসহ গ্রেপ্তার ২

‘এশিয়াড’ মুলা ঝুলালো ব্যাডমিন্টন

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩১:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ৮৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




আমরা ভালো করতে চাই’—কথাটা শুনতে বেশ, ভরসাও পাওয়া যায়। এ বাক্যে নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্যের ইঙ্গিত নেই। বরং এটি হয়ে ওঠে দায় এড়ানোর মোলায়েম হাতিয়ার, যা দিয়ে প্রশ্নের মুখ বন্ধ করা যায়। এশিয়ান গেমসের আগে সেই পুরোনো কৌশল ব্যাডমিন্টনে।

আজ রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে বসেছিল ফেডারেশনের নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা। সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন আর সাধারণ সম্পাদক হাসিবুর রহমান শাকিলের উপস্থিতিতে সভায় হাজির ছিলেন কমিটির বেশিরভাগ সদস্যও।

দায়িত্ব গ্রহণ আর পরিচিতি পর্ব সেরে আলোচনার টেবিলে ওঠে ফেডারেশনের বিগত দিনের কার্যক্রম আর হিসাব-নিকাশের প্রসঙ্গ। পুরোনো খাতা খুলে দেখা হয় কোথায় কী হয়েছে, কী হয়নি। এরপর কথা ওঠে সামনের দিনের—ব্যাডমিন্টনের উন্নয়ন কীভাবে ত্বরান্বিত করা যায়, ফেডারেশনের কার্যক্রমে কীভাবে আনা যায় নতুন গতি।

সভার মূল আকর্ষণ অবশ্য ছিল আসন্ন এশিয়ান গেমস। জাপানের আইচি ও নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠেয় ২০তম এশিয়ান গেমস শুরু হচ্ছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর, চলবে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত। ব্যাডমিন্টনের লড়াই গড়াবে আইচি প্রিফেকচারের ইচিনোমিয়া সিটি মিউনিসিপ্যাল জিমনেশিয়ামে। এই মহাযজ্ঞে ভালো ফলের লক্ষ্য স্থির করে খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ ও সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে সভায়। বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব যেন আরও শক্তিশালী হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছেন কমিটির সদস্যরা।

প্রশ্ন থেকেই যায়—‘ভালো ফল’ মানে ঠিক কী? এশিয়ার সবচেয়ে বড় মঞ্চে বাংলাদেশের ব্যাডমিন্টন ইতিহাসে কখনো উল্লেখযোগ্য সাফল্য নেই, তাই প্রশ্নটা আরও জোরালো হয়ে ওঠে। দ্বিতীয় রাউন্ড, নাকি শুধু অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা অর্জন? প্রস্তুতি আর প্রশিক্ষণের কথা যতবার উচ্চারিত হলো সভাকক্ষে, ঠিক ততবারই অনুপস্থিত রইল সুনির্দিষ্ট রূপরেখা, সময়সীমা কিংবা জবাবদিহির কাঠামো। বাংলাদেশের ক্রীড়া প্রশাসনে এ ধরনের ভাষা নতুন নয়—লক্ষ্য থাকে অস্পষ্ট, প্রতিশ্রুতি থাকে উদার আর ফলাফলের দিন এলে দায় চাপানোর জায়গাও তৈরি থাকে আগে থেকেই।

নতুন কমিটি, নতুন মুখ, নতুন উদ্যম—এসব নিয়েই আশা বাঁধতে চায় বাংলাদেশের ব্যাডমিন্টনপ্রেমীরা। কিন্তু আশা তখনই টিকে থাকে, যখন কথার পেছনে থাকে পরিমাপযোগ্য পরিকল্পনা। এখন দেখার বিষয়, আইচি-নাগোয়ার কোর্টে নামার আগে ফেডারেশন কথার ফুলঝুরি ছাপিয়ে বাস্তব প্রস্তুতির প্রমাণ কতটা রাখতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘এশিয়াড’ মুলা ঝুলালো ব্যাডমিন্টন

আপডেট সময় : ০৯:৩১:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

আমরা ভালো করতে চাই’—কথাটা শুনতে বেশ, ভরসাও পাওয়া যায়। এ বাক্যে নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্যের ইঙ্গিত নেই। বরং এটি হয়ে ওঠে দায় এড়ানোর মোলায়েম হাতিয়ার, যা দিয়ে প্রশ্নের মুখ বন্ধ করা যায়। এশিয়ান গেমসের আগে সেই পুরোনো কৌশল ব্যাডমিন্টনে।

আজ রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে বসেছিল ফেডারেশনের নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা। সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন আর সাধারণ সম্পাদক হাসিবুর রহমান শাকিলের উপস্থিতিতে সভায় হাজির ছিলেন কমিটির বেশিরভাগ সদস্যও।

দায়িত্ব গ্রহণ আর পরিচিতি পর্ব সেরে আলোচনার টেবিলে ওঠে ফেডারেশনের বিগত দিনের কার্যক্রম আর হিসাব-নিকাশের প্রসঙ্গ। পুরোনো খাতা খুলে দেখা হয় কোথায় কী হয়েছে, কী হয়নি। এরপর কথা ওঠে সামনের দিনের—ব্যাডমিন্টনের উন্নয়ন কীভাবে ত্বরান্বিত করা যায়, ফেডারেশনের কার্যক্রমে কীভাবে আনা যায় নতুন গতি।

সভার মূল আকর্ষণ অবশ্য ছিল আসন্ন এশিয়ান গেমস। জাপানের আইচি ও নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠেয় ২০তম এশিয়ান গেমস শুরু হচ্ছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর, চলবে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত। ব্যাডমিন্টনের লড়াই গড়াবে আইচি প্রিফেকচারের ইচিনোমিয়া সিটি মিউনিসিপ্যাল জিমনেশিয়ামে। এই মহাযজ্ঞে ভালো ফলের লক্ষ্য স্থির করে খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ ও সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে সভায়। বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব যেন আরও শক্তিশালী হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছেন কমিটির সদস্যরা।

প্রশ্ন থেকেই যায়—‘ভালো ফল’ মানে ঠিক কী? এশিয়ার সবচেয়ে বড় মঞ্চে বাংলাদেশের ব্যাডমিন্টন ইতিহাসে কখনো উল্লেখযোগ্য সাফল্য নেই, তাই প্রশ্নটা আরও জোরালো হয়ে ওঠে। দ্বিতীয় রাউন্ড, নাকি শুধু অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা অর্জন? প্রস্তুতি আর প্রশিক্ষণের কথা যতবার উচ্চারিত হলো সভাকক্ষে, ঠিক ততবারই অনুপস্থিত রইল সুনির্দিষ্ট রূপরেখা, সময়সীমা কিংবা জবাবদিহির কাঠামো। বাংলাদেশের ক্রীড়া প্রশাসনে এ ধরনের ভাষা নতুন নয়—লক্ষ্য থাকে অস্পষ্ট, প্রতিশ্রুতি থাকে উদার আর ফলাফলের দিন এলে দায় চাপানোর জায়গাও তৈরি থাকে আগে থেকেই।

নতুন কমিটি, নতুন মুখ, নতুন উদ্যম—এসব নিয়েই আশা বাঁধতে চায় বাংলাদেশের ব্যাডমিন্টনপ্রেমীরা। কিন্তু আশা তখনই টিকে থাকে, যখন কথার পেছনে থাকে পরিমাপযোগ্য পরিকল্পনা। এখন দেখার বিষয়, আইচি-নাগোয়ার কোর্টে নামার আগে ফেডারেশন কথার ফুলঝুরি ছাপিয়ে বাস্তব প্রস্তুতির প্রমাণ কতটা রাখতে পারে।