ঢাকা , সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্গোৎসবে সম্প্রীতির বার্তা, ১৯ মণ্ডপে চেয়ারম্যানের সহায়তা




‎রংপুরের গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের ১৯টি শারদীয় দুর্গাপূজামণ্ডপে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনুদান দিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান দুলু। রোববার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পূজামণ্ডপগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে অনুদান তুলে দেওয়া হয়।
‎
‎অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান দুলু বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু ধর্মীয় আয়োজন নয়, এটি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার উপলক্ষ। গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের সব ধর্মের মানুষ যেন শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সেটিই তাঁর প্রত্যাশা। সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে থাকার প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
‎
‎উপজেলা শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন কমিটির সহসভাপতি শ্যামল রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য বুলু মিয়া, কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নির্মল রায় ও সহকোষাধ্যক্ষ সুরেশ রায়সহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ কমিটির নেতারা।
‎
‎বক্তারা বলেন, দুর্গোৎসবের আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে ব্যক্তিগত ও সামাজিক পর্যায়ে সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চেয়ারম্যানের এ উদ্যোগ পূজামণ্ডপগুলোর আয়োজনে সহায়ক হবে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে এলে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়বে।
‎
‎অনুষ্ঠানে গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের ১৯টি পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপনে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গোৎসবে সম্প্রীতির বার্তা, ১৯ মণ্ডপে চেয়ারম্যানের সহায়তা

আপডেট সময় : ৬ ঘন্টা আগে

‎রংপুরের গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের ১৯টি শারদীয় দুর্গাপূজামণ্ডপে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনুদান দিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান দুলু। রোববার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পূজামণ্ডপগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে অনুদান তুলে দেওয়া হয়।
‎
‎অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান দুলু বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু ধর্মীয় আয়োজন নয়, এটি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার উপলক্ষ। গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের সব ধর্মের মানুষ যেন শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সেটিই তাঁর প্রত্যাশা। সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে থাকার প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
‎
‎উপজেলা শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন কমিটির সহসভাপতি শ্যামল রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য বুলু মিয়া, কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নির্মল রায় ও সহকোষাধ্যক্ষ সুরেশ রায়সহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ কমিটির নেতারা।
‎
‎বক্তারা বলেন, দুর্গোৎসবের আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে ব্যক্তিগত ও সামাজিক পর্যায়ে সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চেয়ারম্যানের এ উদ্যোগ পূজামণ্ডপগুলোর আয়োজনে সহায়ক হবে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে এলে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়বে।
‎
‎অনুষ্ঠানে গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের ১৯টি পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপনে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।