দেশি মাছের আকাল—কীটনাশক ব্যবহারে কমছে জলজ প্রাণবৈচিত্র্য?
- আপডেট সময় : ০৯:২৮:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ৬৪ বার পড়া হয়েছে
একসময় খাল-বিল, নদী-নালা ও ছোট-বড় হাটবাজারে সহজেই মিলত নানা প্রজাতির দেশি মাছ। বর্ষা মৌসুমে পাড়া-মহল্লার বাজারের মোড়ে মোড়ে দেশি মাছের দেখা মিললেও সময়ের সঙ্গে সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। এখন বড় বড় হাটবাজারেও দেশি মাছ পাওয়া যায় তুলনামূলক কম, আর পাওয়া গেলেও দাম অনেক বেশি।
ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকের কাছেই দেশি মাছ এখন হয়ে উঠছে দুষ্প্রাপ্য খাবার। ইলিশের মতো দামি মাছ তো অনেকেই নিয়মিত খেতে পারেন না; একইভাবে দেশি ছোট মাছের দামও বাড়ায় সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
মাছ কমে যাওয়ার পেছনে জলাশয় ভরাট, নির্বিচারে মাছ ধরা, প্রজননক্ষেত্র নষ্ট হওয়া এবং কৃষিজমিতে ব্যবহৃত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার পানিতে মিশে যাওয়ার মতো নানা কারণ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। কৃষিতে সার ও কীটনাশকের প্রয়োজনীয়তা থাকলেও এর সঠিক ও পরিমিত ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি নিশ্চিত করা জরুরি।
কৃষির উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খাল-বিল, নদী-নালা ও জলজ পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে দেশি মাছের বৈচিত্র্য আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই কৃষকের উৎপাদন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি নিরাপদ জলজ পরিবেশ ও দেশি মাছের প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণও জরুরি।
চলনবিলের সময়












