ঢাকা , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্কুলভবন নির্মাণে নিম্ন মানের উপকরণ সরাতে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম কলাতলী সী-বিচের আশপাশ থেকে বগুড়ার স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতারা গ্রেফতার বগুড়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা আয়োজন করেছে জামায়াতে ইসলামীর ২১ নম্বর ওয়ার্ড শাখা বাগমারার বিদায়ী ইউএনও’র কান্ড! সরকারি পুকুরের মাছ বিক্রির টাকা এখনো জমা হয়নি কোষাগারে ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবের তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন ২২ অক্টোবর গাজীপুরে অপহৃত তরুণ উদ্ধার:  অপহরণ চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার  বন্ধুর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও হওয়ার অভিযোগ যুবকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারের পর বহিষ্কার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন মাহবুবুল খালিদের কথায় বুলবুলের সুরে গাইলেন কোনাল-রাফসান

পাবনায় অবৈধভাবে মজুত ৩৮১ বস্তা সার জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা




পাবনা সদর উপজেলার দুবলিয়া বাজারে নিবন্ধন ছাড়াই অবৈধভাবে সার মজুত ও বিক্রির অভিযোগে পৃথক অভিযান চালিয়ে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় ইউরিয়া, টিএসপি ও ডিএপিসহ বিভিন্ন ধরনের ৩৮১ বস্তা সার জব্দ করা হয়।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের দুবলিয়া বাজারে অভিযান দুটি পরিচালিত হয়। এর মধ্যে একটি অভিযানে নেতৃত্ব দেন পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাকিরুল ইসলাম। অপর অভিযানটি পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা জানান, দুবলিয়া বাজারে কিছু ব্যবসায়ী সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি, নিবন্ধন ছাড়াই সার মজুত এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছেন—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে আবু বকর বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজে নিবন্ধন ছাড়াই সার মজুত ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ অনুযায়ী ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির মজুত থেকে ১৩০ বস্তা সার জব্দ করা হয়।

অন্যদিকে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি জানান, একই বাজারের ব্যবসায়ী আবদুল মান্নানের গোডাউন থেকে অবৈধভাবে মজুত করা বিভিন্ন ধরনের ২৫১ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আবু বকর বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ থেকে জব্দ করা সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর আবদুল মান্নানের কাছ থেকে জব্দ করা সার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে রেখে কৃষকদের কাছে বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা বলেন, সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি, নিবন্ধন ছাড়া সার মজুত এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

স্কুলভবন নির্মাণে নিম্ন মানের উপকরণ সরাতে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম

পাবনায় অবৈধভাবে মজুত ৩৮১ বস্তা সার জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ০৭:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাবনা সদর উপজেলার দুবলিয়া বাজারে নিবন্ধন ছাড়াই অবৈধভাবে সার মজুত ও বিক্রির অভিযোগে পৃথক অভিযান চালিয়ে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় ইউরিয়া, টিএসপি ও ডিএপিসহ বিভিন্ন ধরনের ৩৮১ বস্তা সার জব্দ করা হয়।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের দুবলিয়া বাজারে অভিযান দুটি পরিচালিত হয়। এর মধ্যে একটি অভিযানে নেতৃত্ব দেন পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাকিরুল ইসলাম। অপর অভিযানটি পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা জানান, দুবলিয়া বাজারে কিছু ব্যবসায়ী সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি, নিবন্ধন ছাড়াই সার মজুত এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছেন—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে আবু বকর বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজে নিবন্ধন ছাড়াই সার মজুত ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ অনুযায়ী ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির মজুত থেকে ১৩০ বস্তা সার জব্দ করা হয়।

অন্যদিকে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি জানান, একই বাজারের ব্যবসায়ী আবদুল মান্নানের গোডাউন থেকে অবৈধভাবে মজুত করা বিভিন্ন ধরনের ২৫১ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আবু বকর বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ থেকে জব্দ করা সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর আবদুল মান্নানের কাছ থেকে জব্দ করা সার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে রেখে কৃষকদের কাছে বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা বলেন, সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি, নিবন্ধন ছাড়া সার মজুত এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।