ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিজিবির সীমান্ত ভাতা পুনর্নির্ধারণ, কোন গ্রেডে কত টাকা আজ জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী রক্তাক্ত অবতারে রণবীর, প্রকাশ্যে ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’এর প্রথম ঝলক ৫০ লাখ পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফেরত, কোটি টাকার আমানতে কাটছাঁট ‘টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলা সম্ভব বাংলাদেশের’ তিন ম্যাচ খেলেই পৃথিবীর ৮৭% ঘুরে ফেলবেন তারা বিশ্বের সেরা শহরের তালিকা প্রকাশ, শীর্ষে নিউইয়র্ক শিবগঞ্জে ফ্যাসিস্ট দোসরদের অপতৎপরতা রুখে দিতে বিএনপির বিক্ষোভ ও সমাবেশ বাগমারায় যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল বগুড়ায় অবৈধ পার্কিংয়ে ছাড় নয়—সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে জরিমানা

বিশ্বের সেরা শহরের তালিকা প্রকাশ, শীর্ষে নিউইয়র্ক




আলো, গতি আর সম্ভাবনার শহরগুলোর দৌড়ে আবারও সবার সামনে নিউইয়র্ক। বিশ্বের এক হাজার শহরকে পেছনে ফেলে সেরা শহরের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে যুক্তরাষ্ট্রের এই মহানগর। এর পরেই রয়েছে যুক্তরাজ্যের লন্ডন ও ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস। অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের ২০২৬ গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্সে উঠে এসেছে বিশ্বের সেরা শহরগুলোর এই চিত্র।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শহরগুলোর অবস্থান নির্ধারণে ৫টি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে—শাসনব্যবস্থা, অর্থনীতি, মানবসম্পদ, পরিবেশ এবং জীবনযাত্রার মান।

সূচকের শীর্ষ ১০ শহরের তালিকায় নিউইয়র্ক, লন্ডন ও প্যারিসের পর রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল ও সান ফ্রান্সিসকো। ষষ্ঠ অবস্থানে আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন সপ্তম, সান হোসে অষ্টম, জাপানের টোকিও নবম এবং সুইজারল্যান্ডের জুরিখ দশম স্থানে রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শহরগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো বিভিন্ন দেশ থেকে দক্ষ ও শিক্ষিত মানুষকে আকৃষ্ট করার সক্ষমতা। এতে এসব শহরের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রায় বৈচিত্র্য বাড়ছে।

মানবসম্পদের দিক থেকে লন্ডন সূচকে সবচেয়ে এগিয়ে। শহরটির প্রায় ৪০ শতাংশ বাসিন্দা বিদেশে জন্মগ্রহণকারী। অন্যদিকে বোস্টনে বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বড় উপস্থিতি শহরটির মানবসম্পদকে শক্তিশালী করেছে।

সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার মানের দিক থেকেও এগিয়ে রয়েছে প্যারিস। শহরটিতে প্রায় ১৩০টি জাদুঘর রয়েছে। সিয়াটলও শিল্প ও সংস্কৃতির পাশাপাশি জীবনযাত্রার মানের জন্য ভালো অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে পরিবেশের ক্ষেত্রেও শীর্ষ শহরগুলো বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। লন্ডনের কনজেশন চার্জ ও আল্ট্রা-লো এমিশন জোন যানজট ও দূষণ কমাতে ভূমিকা রাখছে। সান ফ্রান্সিসকোর উন্নত গণপরিবহন ব্যবস্থা ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা কমাতে সহায়তা করছে। ডাবলিনও ২০৩০ সালের মধ্যে জলবায়ু-নিরপেক্ষ হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

তবে প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও শহরগুলোর অবস্থানকে প্রভাবিত করেছে। সান হোসে সিলিকন ভ্যালির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর উপস্থিতির কারণে মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে সূচকে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। সান ফ্রান্সিসকোতে চালকবিহীন গাড়ির ব্যবহারও এখন নগরজীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।

প্রতিবেদনে এস্তোনিয়ার রাজধানী তাল্লিনকেও প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া শহর হিসেবে ‘সিটিজ টু ওয়াচ’ তালিকায় রাখা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

বিজিবির সীমান্ত ভাতা পুনর্নির্ধারণ, কোন গ্রেডে কত টাকা

বিশ্বের সেরা শহরের তালিকা প্রকাশ, শীর্ষে নিউইয়র্ক

আপডেট সময় : ৬ ঘন্টা আগে

আলো, গতি আর সম্ভাবনার শহরগুলোর দৌড়ে আবারও সবার সামনে নিউইয়র্ক। বিশ্বের এক হাজার শহরকে পেছনে ফেলে সেরা শহরের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে যুক্তরাষ্ট্রের এই মহানগর। এর পরেই রয়েছে যুক্তরাজ্যের লন্ডন ও ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস। অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের ২০২৬ গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্সে উঠে এসেছে বিশ্বের সেরা শহরগুলোর এই চিত্র।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শহরগুলোর অবস্থান নির্ধারণে ৫টি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে—শাসনব্যবস্থা, অর্থনীতি, মানবসম্পদ, পরিবেশ এবং জীবনযাত্রার মান।

সূচকের শীর্ষ ১০ শহরের তালিকায় নিউইয়র্ক, লন্ডন ও প্যারিসের পর রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল ও সান ফ্রান্সিসকো। ষষ্ঠ অবস্থানে আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন সপ্তম, সান হোসে অষ্টম, জাপানের টোকিও নবম এবং সুইজারল্যান্ডের জুরিখ দশম স্থানে রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শহরগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো বিভিন্ন দেশ থেকে দক্ষ ও শিক্ষিত মানুষকে আকৃষ্ট করার সক্ষমতা। এতে এসব শহরের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রায় বৈচিত্র্য বাড়ছে।

মানবসম্পদের দিক থেকে লন্ডন সূচকে সবচেয়ে এগিয়ে। শহরটির প্রায় ৪০ শতাংশ বাসিন্দা বিদেশে জন্মগ্রহণকারী। অন্যদিকে বোস্টনে বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বড় উপস্থিতি শহরটির মানবসম্পদকে শক্তিশালী করেছে।

সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার মানের দিক থেকেও এগিয়ে রয়েছে প্যারিস। শহরটিতে প্রায় ১৩০টি জাদুঘর রয়েছে। সিয়াটলও শিল্প ও সংস্কৃতির পাশাপাশি জীবনযাত্রার মানের জন্য ভালো অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে পরিবেশের ক্ষেত্রেও শীর্ষ শহরগুলো বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। লন্ডনের কনজেশন চার্জ ও আল্ট্রা-লো এমিশন জোন যানজট ও দূষণ কমাতে ভূমিকা রাখছে। সান ফ্রান্সিসকোর উন্নত গণপরিবহন ব্যবস্থা ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা কমাতে সহায়তা করছে। ডাবলিনও ২০৩০ সালের মধ্যে জলবায়ু-নিরপেক্ষ হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

তবে প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও শহরগুলোর অবস্থানকে প্রভাবিত করেছে। সান হোসে সিলিকন ভ্যালির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর উপস্থিতির কারণে মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে সূচকে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। সান ফ্রান্সিসকোতে চালকবিহীন গাড়ির ব্যবহারও এখন নগরজীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।

প্রতিবেদনে এস্তোনিয়ার রাজধানী তাল্লিনকেও প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া শহর হিসেবে ‘সিটিজ টু ওয়াচ’ তালিকায় রাখা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি