ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যাংকে ছিল কোটি কোটি টাকা, ‘মাথা ঠিক থাকত না’: নোবেল এনসিএল দ্বিতীয় একাদশের স্কোয়াড ও সূচি ঘোষণা ভারতকে নিয়ে ‘খেলল’ দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, গ্রেপ্তার ৬১০০ ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, চুনারঘাট থানার সেই এএসআই প্রত্যাহার সরকারের সিদ্ধান্ত কীভাবে গরিবের পেটে লাথি মারে, ডিমের দাম তার সাক্ষী: নাহিদ তুরস্কে যাচ্ছেন জামায়াত আমির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হবে: ডিএমপি কমিশনার নতুন পে-স্কেলের মধ্যেই বেতন বাড়ল প্রাইমারির প্রধান শিক্ষকদের সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে এস্কাফ সিরাপসহ যুবক আটক

ব্যাংকে ছিল কোটি কোটি টাকা, ‘মাথা ঠিক থাকত না’: নোবেল




ভারতের জনপ্রিয় সংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’য় তৃতীয় স্থান অর্জনের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। এরপর মৌলিক গান ও চলচ্চিত্রের গান গেয়ে নিজের অবস্থান তৈরি করেন তিনি।

তবে সংগীতের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনের নানা কর্মকাণ্ড নিয়েও বিভিন্ন সময় আলোচনায় এসেছেন এই শিল্পী। এবার নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের জীবন, বিপুল অর্থ উপার্জন ও সেই সময়ের মানসিক অবস্থার কথা তুলে ধরেছেন নোবেল।

নোবেল জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এক মাসে ৪০ থেকে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করেছেন তিনি। অল্প বয়সে বিপুল অর্থ ও জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর তা সামলে ওঠার মতো মানসিক পরিপক্বতা তখন তার ছিল না।

নিজের অতীতের কথা স্মরণ করে নোবেল বলেন, ‘সারেগামাপায় যখন জনপ্রিয়তা পাই, তখন দুহাতে টাকা আসতে থাকে। মাসে এমনও হয়েছে, ৪০-৫০, এমনকি ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত পেয়েছি। তখন আমার বয়স মাত্র ২৪-২৫ বছর। এত টাকা আমাকে অস্থির করে তুলেছিল। নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। বেখেয়ালি জীবনে জড়িয়ে পড়ি। টাকা আমার মাথা খারাপ করে তোলে।’

নোবেলের দাবি, একসময় তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত জমা ছিল। সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এমন সময়ও গেছে, যখন ব্যাংকে কয়েক কোটি টাকা ছিল। কোটি টাকা থাকলে ওই বয়সে মাথা ঠিক থাকে?’

তবে নোবেলের সংগীতজীবনের শুরু ‘সারেগামাপা’ দিয়ে নয়। ছোটবেলায় বাবার কিনে দেওয়া ক্যাসেট শুনে আইয়ুব বাচ্চু, জেমস ও হাসানের গান গাইতেন তিনি। সংগীতের প্রতি আগ্রহ থেকেই পরবর্তী সময়ে ২০১৬ সালে গানকে পেশা হিসেবে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। গড়ে তোলেন ব্যান্ড এবং শুরু করেন নিয়মিত সংগীতচর্চা।

প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো ওস্তাদের কাছে সংগীত শেখেননি নোবেল। নিজের চেষ্টায় গান শেখা ও চর্চা চালিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত ভারতের জনপ্রিয় সংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’ই তাকে বড় পরিসরে পরিচিতি এনে দেয়। প্রতিযোগিতাটিতে তৃতীয় স্থান অর্জনের পর রাতারাতি আলোচনায় উঠে আসেন তিনি।

তবে সেই সময়ের জীবন থেকে এখন অনেকটাই সরে এসেছেন বলে জানিয়েছেন নোবেল। তার ভাষ্য, গত ১০ মাসে জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ছেলের জন্মের পর থেকেই তার জীবনযাপনে এই পরিবর্তনের শুরু।

বর্তমানে গান ও ছেলেকেই ঘিরেই তার ব্যস্ততা। অতীতের নানা অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে এখন সংগীতচর্চা ও পরিবারকে নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে চান এই শিল্পী।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাংকে ছিল কোটি কোটি টাকা, ‘মাথা ঠিক থাকত না’: নোবেল

ব্যাংকে ছিল কোটি কোটি টাকা, ‘মাথা ঠিক থাকত না’: নোবেল

আপডেট সময় : এক ঘন্টা আগে

ভারতের জনপ্রিয় সংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’য় তৃতীয় স্থান অর্জনের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। এরপর মৌলিক গান ও চলচ্চিত্রের গান গেয়ে নিজের অবস্থান তৈরি করেন তিনি।

তবে সংগীতের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনের নানা কর্মকাণ্ড নিয়েও বিভিন্ন সময় আলোচনায় এসেছেন এই শিল্পী। এবার নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের জীবন, বিপুল অর্থ উপার্জন ও সেই সময়ের মানসিক অবস্থার কথা তুলে ধরেছেন নোবেল।

নোবেল জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এক মাসে ৪০ থেকে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করেছেন তিনি। অল্প বয়সে বিপুল অর্থ ও জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর তা সামলে ওঠার মতো মানসিক পরিপক্বতা তখন তার ছিল না।

নিজের অতীতের কথা স্মরণ করে নোবেল বলেন, ‘সারেগামাপায় যখন জনপ্রিয়তা পাই, তখন দুহাতে টাকা আসতে থাকে। মাসে এমনও হয়েছে, ৪০-৫০, এমনকি ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত পেয়েছি। তখন আমার বয়স মাত্র ২৪-২৫ বছর। এত টাকা আমাকে অস্থির করে তুলেছিল। নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। বেখেয়ালি জীবনে জড়িয়ে পড়ি। টাকা আমার মাথা খারাপ করে তোলে।’

নোবেলের দাবি, একসময় তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত জমা ছিল। সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এমন সময়ও গেছে, যখন ব্যাংকে কয়েক কোটি টাকা ছিল। কোটি টাকা থাকলে ওই বয়সে মাথা ঠিক থাকে?’

তবে নোবেলের সংগীতজীবনের শুরু ‘সারেগামাপা’ দিয়ে নয়। ছোটবেলায় বাবার কিনে দেওয়া ক্যাসেট শুনে আইয়ুব বাচ্চু, জেমস ও হাসানের গান গাইতেন তিনি। সংগীতের প্রতি আগ্রহ থেকেই পরবর্তী সময়ে ২০১৬ সালে গানকে পেশা হিসেবে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। গড়ে তোলেন ব্যান্ড এবং শুরু করেন নিয়মিত সংগীতচর্চা।

প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো ওস্তাদের কাছে সংগীত শেখেননি নোবেল। নিজের চেষ্টায় গান শেখা ও চর্চা চালিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত ভারতের জনপ্রিয় সংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’ই তাকে বড় পরিসরে পরিচিতি এনে দেয়। প্রতিযোগিতাটিতে তৃতীয় স্থান অর্জনের পর রাতারাতি আলোচনায় উঠে আসেন তিনি।

তবে সেই সময়ের জীবন থেকে এখন অনেকটাই সরে এসেছেন বলে জানিয়েছেন নোবেল। তার ভাষ্য, গত ১০ মাসে জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ছেলের জন্মের পর থেকেই তার জীবনযাপনে এই পরিবর্তনের শুরু।

বর্তমানে গান ও ছেলেকেই ঘিরেই তার ব্যস্ততা। অতীতের নানা অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে এখন সংগীতচর্চা ও পরিবারকে নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে চান এই শিল্পী।