ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অভিযানে সাজা, কিন্তু থেকে গেল পণ্য—পীরগাছায় ভেজাল কারখানা নিয়ে ক্ষোভ গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে এসেও সপ্তাহের ৬ দিন শরীরচর্চা করছেন সামান্থা বাংলা কিউআরে লেনদেনে বড় পরিবর্তন: নতুন নির্দেশনা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক রাবিতে তরুণদের ডিজিটাল সক্ষমতা নিয়ে সাংবাদিকতা বিভাগের সংলাপ অনুষ্ঠিত সরকারি কর্মীদের জন্য ম্যাচমেকিং সেবা চালু করল সিঙ্গাপুর সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন জাতিসংঘে যোগ্যতায় নিয়োগ পেয়েছেন জাইমা রহমান, সরকারের সংশ্লিষ্টতা নেই প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী হাট ইজারা নিয়ে সংঘর্ষের মামলায় ২৫ জামায়াত নেতাকর্মী কারাগারে মিরপুরে হকার উচ্ছেদ: স্থানীয় এমপি হিসেবে না জানানোয় বিস্ময়ে জামায়াত আমির হুমকির ‍মুখে ব্রাজিল ফুটবলের আয়

মাকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় ছেলের যাবজ্জীবন




চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানার গোসাইলডাঙ্গা এলাকায় মাকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার দায়ে সুমিত চৌধুরী প্রকাশ বিভুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজউল ইসলাম এ রায় দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর কালবেলাকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত সুমিত চৌধুরী সাতকানিয়া উপজেলার আমিলাইষ এলাকার মধু চৌধুরী বাড়ির সুখময় চৌধুরীর ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে বন্দর থানার গোসাইলডাঙ্গার সাসটেইন টাওয়ারের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে কুমকুম চৌধুরীকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়।

ঘটনার দিন নিহতের বড় ছেলে সোমনাথ চৌধুরী প্রকাশ সুজন বাইরে থেকে বাসায় ফিরে দরজায় দীর্ঘ সময় ধাক্কা দেন। পরে সুমিত দরজা খুলে দিলে তিনি বেডরুমে গিয়ে মাকে বিছানায় গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় সুমিতের ঘাড়েও রক্তাক্ত জখম ছিল।

এজাহারে বলা হয়, পরে সুমিত তার ভাইকে জানান মাকে হত্যার পর আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে নিজের ঘাড়ে দা দিয়ে আঘাত করেছেন। এরপর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই সুমিতের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত।

মামলার বিচারকালে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত প্রমাণ পর্যালোচনা করে মাকে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত সুমিতকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিযানে সাজা, কিন্তু থেকে গেল পণ্য—পীরগাছায় ভেজাল কারখানা নিয়ে ক্ষোভ

মাকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় ছেলের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ৮ ঘন্টা আগে

চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানার গোসাইলডাঙ্গা এলাকায় মাকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার দায়ে সুমিত চৌধুরী প্রকাশ বিভুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজউল ইসলাম এ রায় দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর কালবেলাকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত সুমিত চৌধুরী সাতকানিয়া উপজেলার আমিলাইষ এলাকার মধু চৌধুরী বাড়ির সুখময় চৌধুরীর ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে বন্দর থানার গোসাইলডাঙ্গার সাসটেইন টাওয়ারের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে কুমকুম চৌধুরীকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়।

ঘটনার দিন নিহতের বড় ছেলে সোমনাথ চৌধুরী প্রকাশ সুজন বাইরে থেকে বাসায় ফিরে দরজায় দীর্ঘ সময় ধাক্কা দেন। পরে সুমিত দরজা খুলে দিলে তিনি বেডরুমে গিয়ে মাকে বিছানায় গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় সুমিতের ঘাড়েও রক্তাক্ত জখম ছিল।

এজাহারে বলা হয়, পরে সুমিত তার ভাইকে জানান মাকে হত্যার পর আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে নিজের ঘাড়ে দা দিয়ে আঘাত করেছেন। এরপর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই সুমিতের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত।

মামলার বিচারকালে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত প্রমাণ পর্যালোচনা করে মাকে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত সুমিতকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।