সংবাদ শিরোনাম ::
বর্তমান স্ত্রীর দাবি ৩০ বছরে তিন বউ ছাড়া কিছুই দেয়নি কাঞ্চন ট্রাম্পের ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম দাদার স্মরণে প্রথম ম্যারাথনে অংশগ্রহণ ফিনিশ লাইনের ২ মাইল আগে থেমে গেল র‍্যাচেলের জীবন বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা ও সংঘাত বাড়ছে, সতর্ক করলেন রাজা চার্লস পাহাড়সম ব্যর্থতা ঢাকতে বিরোধীদলের ওপর দায় চাপাচ্ছে সরকার: জামায়াত আমির ওয়াই আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর শিবগঞ্জে এসআরবির অভিযানে কফ রিলিফ, ফায়ারডিল ও বিদেশি মদ উদ্ধার শাজাহানপুরে করতোয়া নদীর ওপর দুবলাগাড়ী সেতু দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আশার আলো চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহনের সময় ৮০ বস্তা সার জব্দ, ডিলারসহ দুজনের কারাদণ্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ককটেল ও রামদাসহ গ্রেপ্তার ২

রংপুরে চার খুনের তদন্তে ডিবি

রংপুর জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:০৫:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




রংপুর নগরের কামালকাছনা-মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার মামলার তদন্তভার কোতোয়ালি থানা-পুলিশের কাছ থেকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে। অধিকতর পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়ার লক্ষ্যে তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
‎
‎গতকাল সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে মামলার নথিপত্র ও প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। মামলাটির নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক জিনাত আলী।
‎
‎রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলার আগের তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি সোমবার বিকেলে ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে মামলার নথিপত্র নতুন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেন।
‎
‎পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। এর আগে এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের আদালতে হাজির করা হলে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি শেষে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
‎
‎মামলার আগের তদন্ত কর্মকর্তা মিলন চ্যাটার্জি বলেন, গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এ কারণে তাঁদের আর রিমান্ডে নেওয়া হয়নি।
‎
‎পুলিশ ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত শনিবার রাত ১১টার দিকে কামালকাছনা-মাছুয়াপাড়ার একটি বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রীয়ম এবং কারমাইকেল কলেজ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করা মেয়ে অর্চনা চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
‎
‎পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির ছাদে গভীর রাতে ইয়াবা সেবন করতে দেখে ফেলায় এবং এতে বাধা দেওয়ায় প্রথমে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
‎
‎স্বজনরা জানান, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে স্বজনদের কাছ থেকে খবর পেয়ে শনিবার রাতে পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
‎
‎এ ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এখন হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ, ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না এবং হত্যার পুরো ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে দ্রুত অভিযোগপত্র দেওয়ার কাজ করবে ডিবি।
‎

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রংপুরে চার খুনের তদন্তে ডিবি

আপডেট সময় : ০৩:০৫:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

রংপুর নগরের কামালকাছনা-মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার মামলার তদন্তভার কোতোয়ালি থানা-পুলিশের কাছ থেকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে। অধিকতর পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়ার লক্ষ্যে তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
‎
‎গতকাল সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে মামলার নথিপত্র ও প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। মামলাটির নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক জিনাত আলী।
‎
‎রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলার আগের তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি সোমবার বিকেলে ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে মামলার নথিপত্র নতুন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেন।
‎
‎পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। এর আগে এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের আদালতে হাজির করা হলে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি শেষে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
‎
‎মামলার আগের তদন্ত কর্মকর্তা মিলন চ্যাটার্জি বলেন, গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এ কারণে তাঁদের আর রিমান্ডে নেওয়া হয়নি।
‎
‎পুলিশ ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত শনিবার রাত ১১টার দিকে কামালকাছনা-মাছুয়াপাড়ার একটি বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রীয়ম এবং কারমাইকেল কলেজ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করা মেয়ে অর্চনা চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
‎
‎পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির ছাদে গভীর রাতে ইয়াবা সেবন করতে দেখে ফেলায় এবং এতে বাধা দেওয়ায় প্রথমে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
‎
‎স্বজনরা জানান, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে স্বজনদের কাছ থেকে খবর পেয়ে শনিবার রাতে পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
‎
‎এ ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এখন হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ, ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না এবং হত্যার পুরো ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে দ্রুত অভিযোগপত্র দেওয়ার কাজ করবে ডিবি।
‎