২০২৬ বিশ্বকাপের পর নিজেদের প্রথম পরীক্ষাতেই হতাশাজনক পারফরম্যান্স দেখাল ব্রাজিল। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে সেলেসাওরা। পুরো ম্যাচে আক্রমণভাগে বলার মতো তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কার্লো আনচেলত্তির দল। রক্ষণভাগের দুর্বলতা এবং ফরোয়ার্ডদের নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের খেসারত দিয়ে ম্যাচের শেষ মুহূর্তের গোলে কোনো রকমে ড্র করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই ম্যাচে মাঠে নামার আগে নতুন কোচের অধীনে নতুন মিশনে বড় জয় দিয়ে শুরুর প্রত্যাশা ছিল সেলেসাও সমর্থকদের। তবে ম্যাচের শুরু থেকেই ছান্দসিক ফুটবল খেলতে ব্যর্থ হয় ব্রাজিল। প্রথমার্ধে অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলাররা মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখে বেশ কয়েকটি ভালো আক্রমণ তৈরি করে। এর মাঝেই এনড্রিকের সঙ্গে দারুণ এক ওয়ান-টু খেলে বল জালে জড়িয়েছিলেন উদীয়মান তারকা এস্তেভাও। কিন্তু ভিএআর চেকে আক্রমণের শুরুতে ব্রুনো গিমারেসের ফাউল ধরা পড়ায় সেই গোলটি বাতিল হয়ে যায়। ফলে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের চিত্র খুব একটা বদলায়নি। বলের দখল কিছুটা বাড়লেও পরিষ্কার কোনো গোলের সুযোগ তৈরি করতে হিমশিম খাচ্ছিল ব্রাজিল। রাফিনিয়া ও এস্তেভাও কিছু আক্রমণ চালালেও তা থেকে সাফল্য আসেনি। ম্যাচের ডেডলক ভাঙেন অস্ট্রেলিয়ার তরুণ ফরোয়ার্ড ইরাংকুন্দা। দ্বিতীয়ার্ধের ২৮ মিনিটে এক চমৎকার ফ্রি-কিক থেকে গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন স্পোর্টিংয়ের এই খেলোয়াড়।
পিছিয়ে পড়ে হারের শঙ্কা মাথায় নিয়ে আক্রমণে মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল। কোচ আনচেলত্তিও আক্রমণভাগে গতি আনতে বদলি হিসেবে নামান স্যামুয়েল লিনো, পেদ্রো ও রায়ানকে। পুরো ম্যাচজুড়ে নিজেদের রক্ষণ আঁটসাঁট রেখে খেলা অস্ট্রেলিয়া শেষ মুহূর্তে এসে খেই হারায়। ম্যাচের একদম শেষ মিনিট তথা ৪৯ মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে দুর্দান্ত এক হেডারে বল জালে পাঠান বদলি নামা রায়ান। তার এই নাটকীয় গোলেই হার এড়ানোর স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়ে সেলেসাওরা।
আগামী মঙ্গলবার একই মাঠে এবং একই সময়ে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা) অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল।

স্পোর্টস ডেস্ক 























