সংবাদ শিরোনাম ::
বর্তমান স্ত্রীর দাবি ৩০ বছরে তিন বউ ছাড়া কিছুই দেয়নি কাঞ্চন ট্রাম্পের ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম দাদার স্মরণে প্রথম ম্যারাথনে অংশগ্রহণ ফিনিশ লাইনের ২ মাইল আগে থেমে গেল র‍্যাচেলের জীবন বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা ও সংঘাত বাড়ছে, সতর্ক করলেন রাজা চার্লস পাহাড়সম ব্যর্থতা ঢাকতে বিরোধীদলের ওপর দায় চাপাচ্ছে সরকার: জামায়াত আমির ওয়াই আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর শিবগঞ্জে এসআরবির অভিযানে কফ রিলিফ, ফায়ারডিল ও বিদেশি মদ উদ্ধার শাজাহানপুরে করতোয়া নদীর ওপর দুবলাগাড়ী সেতু দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আশার আলো চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহনের সময় ৮০ বস্তা সার জব্দ, ডিলারসহ দুজনের কারাদণ্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ককটেল ও রামদাসহ গ্রেপ্তার ২

শতভাগ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন নাগরিক অধিকারের প্রথম চাবিকাঠি

মাশিয়াত আবেদিন
  • আপডেট সময় : ১১:২৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ১২৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



আমরা প্রায়ই দেখি এক টুকরো কাগজের জন্য সরকারি দপ্তরের বারান্দায় মানুষের দীর্ঘ সারি, পদে পদে ভোগান্তি আর হতাশা। মানুষের এই ভোগান্তি দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, কাগজটির গুরুত্ব কতখানি? প্রকৃতপক্ষে, এটি কোনো সাধারণ কাগজ নয়; জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন একজন মানুষের নাগরিক সত্তার ভিত্তি এবং রাষ্ট্রপ্রদত্ত মৌলিক অধিকারগুলোর মূল চাবিকাঠি।

একটি শিশু যখন জন্মগ্রহণ করে, তার পরিচয় ও অধিকারের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় জন্মনিবন্ধনের মাধ্যমে। জন্মসনদ ছাড়া একটি শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গণ্ডিতে প্রবেশ করতে পারে না। জীবনের শুরুতেই শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হওয়া মানে তার সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎকে শুরুতেই অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া। আমাদের সমাজে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জন্মসনদ একটি ঢাল হিসেবে কাজ করে। বয়স প্রমাণের আইনি দস্তাবেজ না থাকলে শিশুবিবাহ ঠেকানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অপরাধ প্রতিরোধ, পাচার রোধ এবং শিশুশ্রম থেকে সুরক্ষা পাওয়ার ক্ষেত্রে জন্ম সনদই প্রথম আইনি প্রমাণপত্র।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই নিবন্ধনের গুরুত্ব কেবল বাড়তেই থাকে। উপযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রীয় ভাতা ও সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনীর সুবিধা পাওয়া থেকে শুরু করে পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি কিংবা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার মতো প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবার মূল চাবিকাঠি হলো জন্মনিবন্ধন। যার এই নিবন্ধন নেই, রাষ্ট্রীয় কাঠামোর কাছে সে একপ্রকার ‘অদৃশ্য’ মানুষ।

জন্মনিবন্ধনের পাশাপাশি মৃত্যুসনদও সমান গুরুত্বপূর্ণ, যদিও আমাদের সমাজে এটিকে চরম অবহেলা করা হয়। একটি পরিবারে কারও মৃত্যু হলে তার আইনি স্বীকৃতি ও সম্পত্তি সংক্রান্ত অধিকার রক্ষায় মৃত্যু সনদ অপরিহার্য। রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনায় ও মৃত্যু নিবন্ধন ভূমিকা রাখে। মৃত্যুসনদ একজনের চলে যাওয়াকে নথিভুক্ত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রকে জানায় মানুষ ঠিক কোন বয়সে, কী কারণে বা কোন রোগে মারা যাচ্ছে। একটি দেশের সার্বিক জনস্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন, সংক্রামক বা অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দের মতো বড় সিদ্ধান্তগুলো এই সঠিক মৃত্যু নিবন্ধনের উপাত্তের ওপর দাঁড়িয়েই গড়ে ওঠে।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন পদ্ধতি আধুনিকায়নে বাংলাদেশ অগ্রসর হলেও নিবন্ধনের হারের দিকে থেকে বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় এখনো বেশ পিছিয়ে আছে। বর্তমানে দেশে মাত্র ৫০ শতাংশ জন্ম এবং ৪৭ শতাংশ মৃত্যু নিবন্ধিত হয়। অন্যদিকে, বৈশ্বিক জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন হার যথাক্রমে ৭৭ ও ৭৪ শতাংশ। ২০০৪ সালে প্রণীত ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন’ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের আইনি কাঠামোর একটি মাইলফলক, কিন্তু গত দুই দশকে আইনটি তার যুগোপযোগিতা অনেকটাই হারিয়েছে।

বিদ্যমান আইনে জন্ম ও মৃত্যুর তথ্য নিবন্ধন কার্যালয়ে নিবন্ধিত করার প্রাথমিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অভিভাবক বা পরিবারের ওপর; যেখানে স্বাস্থ্য বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত সীমিত ও ‘ঐচ্ছিক’। অথচ, বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় ৬৭ শতাংশ শিশুই বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জন্মগ্রহণ করছে। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শতভাগ সফলতা পাওয়া দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, তারা জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের এই দায়িত্ব সরাসরি হাসপাতালগুলোর ওপর ন্যস্ত করে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন অর্জনের অঙ্গীকার করেছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ১৬.৯ অনুযায়ী জন্মনিবন্ধনসহ সবার জন্য বৈধ পরিচয় নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। এসব প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে আইন সংস্কারের মাধ্যমে হাসপাতাল ও ক্লিনিককে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদান জরুরি। একই সঙ্গে, মাঠপর্যায়ে জনগণের অসচেতনতা, জনবল সংকট, নিবন্ধকদের দক্ষতার ঘাটতি ও প্রযুক্তিগত জটিলতা কমিয়ে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করতে হবে। এ ছাড়াও, দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাজের ওপর নজরদারি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের স্বপ্ন পূরণ করতে হলে নিশ্চিত করতে হবে, দেশে কোনো মানুষের জন্ম যেন অদৃশ্য না থাকে, কোনো মৃত্যু যেন নথিহীন না থাকে।

লেখক: কোঅর্ডিনেটর, প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান)।

[ নিবন্ধ, সাক্ষাৎকার, প্রতিক্রিয়া প্রভৃতিতে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চলনবিলের সময়  সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে নিবন্ধ ও সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত মত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে। প্রকাশিত লেখাটির ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত, রাজনৈতিক, আইনগতসহ যাবতীয় বিষয়ের দায়ভার লেখকের, চলনবিলের সময়  কর্তৃপক্ষের নয়। ]
সূত্রঃকালবেলা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শতভাগ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন নাগরিক অধিকারের প্রথম চাবিকাঠি

আপডেট সময় : ১১:২৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

আমরা প্রায়ই দেখি এক টুকরো কাগজের জন্য সরকারি দপ্তরের বারান্দায় মানুষের দীর্ঘ সারি, পদে পদে ভোগান্তি আর হতাশা। মানুষের এই ভোগান্তি দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, কাগজটির গুরুত্ব কতখানি? প্রকৃতপক্ষে, এটি কোনো সাধারণ কাগজ নয়; জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন একজন মানুষের নাগরিক সত্তার ভিত্তি এবং রাষ্ট্রপ্রদত্ত মৌলিক অধিকারগুলোর মূল চাবিকাঠি।

একটি শিশু যখন জন্মগ্রহণ করে, তার পরিচয় ও অধিকারের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় জন্মনিবন্ধনের মাধ্যমে। জন্মসনদ ছাড়া একটি শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গণ্ডিতে প্রবেশ করতে পারে না। জীবনের শুরুতেই শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হওয়া মানে তার সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎকে শুরুতেই অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া। আমাদের সমাজে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জন্মসনদ একটি ঢাল হিসেবে কাজ করে। বয়স প্রমাণের আইনি দস্তাবেজ না থাকলে শিশুবিবাহ ঠেকানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অপরাধ প্রতিরোধ, পাচার রোধ এবং শিশুশ্রম থেকে সুরক্ষা পাওয়ার ক্ষেত্রে জন্ম সনদই প্রথম আইনি প্রমাণপত্র।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই নিবন্ধনের গুরুত্ব কেবল বাড়তেই থাকে। উপযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রীয় ভাতা ও সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনীর সুবিধা পাওয়া থেকে শুরু করে পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি কিংবা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার মতো প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবার মূল চাবিকাঠি হলো জন্মনিবন্ধন। যার এই নিবন্ধন নেই, রাষ্ট্রীয় কাঠামোর কাছে সে একপ্রকার ‘অদৃশ্য’ মানুষ।

জন্মনিবন্ধনের পাশাপাশি মৃত্যুসনদও সমান গুরুত্বপূর্ণ, যদিও আমাদের সমাজে এটিকে চরম অবহেলা করা হয়। একটি পরিবারে কারও মৃত্যু হলে তার আইনি স্বীকৃতি ও সম্পত্তি সংক্রান্ত অধিকার রক্ষায় মৃত্যু সনদ অপরিহার্য। রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনায় ও মৃত্যু নিবন্ধন ভূমিকা রাখে। মৃত্যুসনদ একজনের চলে যাওয়াকে নথিভুক্ত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রকে জানায় মানুষ ঠিক কোন বয়সে, কী কারণে বা কোন রোগে মারা যাচ্ছে। একটি দেশের সার্বিক জনস্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন, সংক্রামক বা অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দের মতো বড় সিদ্ধান্তগুলো এই সঠিক মৃত্যু নিবন্ধনের উপাত্তের ওপর দাঁড়িয়েই গড়ে ওঠে।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন পদ্ধতি আধুনিকায়নে বাংলাদেশ অগ্রসর হলেও নিবন্ধনের হারের দিকে থেকে বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় এখনো বেশ পিছিয়ে আছে। বর্তমানে দেশে মাত্র ৫০ শতাংশ জন্ম এবং ৪৭ শতাংশ মৃত্যু নিবন্ধিত হয়। অন্যদিকে, বৈশ্বিক জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন হার যথাক্রমে ৭৭ ও ৭৪ শতাংশ। ২০০৪ সালে প্রণীত ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন’ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের আইনি কাঠামোর একটি মাইলফলক, কিন্তু গত দুই দশকে আইনটি তার যুগোপযোগিতা অনেকটাই হারিয়েছে।

বিদ্যমান আইনে জন্ম ও মৃত্যুর তথ্য নিবন্ধন কার্যালয়ে নিবন্ধিত করার প্রাথমিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অভিভাবক বা পরিবারের ওপর; যেখানে স্বাস্থ্য বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত সীমিত ও ‘ঐচ্ছিক’। অথচ, বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় ৬৭ শতাংশ শিশুই বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জন্মগ্রহণ করছে। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শতভাগ সফলতা পাওয়া দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, তারা জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের এই দায়িত্ব সরাসরি হাসপাতালগুলোর ওপর ন্যস্ত করে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন অর্জনের অঙ্গীকার করেছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ১৬.৯ অনুযায়ী জন্মনিবন্ধনসহ সবার জন্য বৈধ পরিচয় নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। এসব প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে আইন সংস্কারের মাধ্যমে হাসপাতাল ও ক্লিনিককে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদান জরুরি। একই সঙ্গে, মাঠপর্যায়ে জনগণের অসচেতনতা, জনবল সংকট, নিবন্ধকদের দক্ষতার ঘাটতি ও প্রযুক্তিগত জটিলতা কমিয়ে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করতে হবে। এ ছাড়াও, দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাজের ওপর নজরদারি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের স্বপ্ন পূরণ করতে হলে নিশ্চিত করতে হবে, দেশে কোনো মানুষের জন্ম যেন অদৃশ্য না থাকে, কোনো মৃত্যু যেন নথিহীন না থাকে।

লেখক: কোঅর্ডিনেটর, প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান)।

[ নিবন্ধ, সাক্ষাৎকার, প্রতিক্রিয়া প্রভৃতিতে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চলনবিলের সময়  সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে নিবন্ধ ও সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত মত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে। প্রকাশিত লেখাটির ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত, রাজনৈতিক, আইনগতসহ যাবতীয় বিষয়ের দায়ভার লেখকের, চলনবিলের সময়  কর্তৃপক্ষের নয়। ]
সূত্রঃকালবেলা