ঢাকা , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংবিধান সংশোধনের নামে নতুন গণভোট আয়োজন জাতির সঙ্গে তামাশা: রাশেদ প্রধান




সংবিধান সংশোধনের নামে নতুন গণভোট আয়োজন জাতির সঙ্গে তামাশা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।

তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের ধোয়া তুলে বিএনপি সরকারের নতুন করে গণভোট আয়োজনের পরিকল্পনা স্বৈরতন্ত্রের আলামত। দাবি ছিল সংবিধান ‘সংস্কারের’, নিছক ‘সংশোধনের’ নয়। সংবিধান সংস্কারের জন্য গণভোট হয়ে গেছে এবং দেশের জনগণ বিপুল ভোটে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’-কে জয়যুক্ত করেছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জাগপা মুখপাত্র এসব কথা বলেন।

বিএনপি সরকারের উদ্দেশে প্রশ্ন তুলে রাশেদ প্রধান বলেন, আমরা জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে গণভোটের দাবি তুলেছিলাম, তখন তো এই বিএনপিই বলেছিল আলাদা গণভোট করতে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ অপচয় হবে! খোঁড়া যুক্তি দিয়েছিল, নির্বাচনের আগে করার কিছু নেই, জাতীয় নির্বাচনের দিন এক খরচেই সব সেরে ফেলা যাবে। এখন কি নতুন করে গণভোট করতে আর রাষ্ট্রের টাকা খরচ হবে না?

তিনি বলেন, কথাবার্তা পরিষ্কার, স্বৈরাচার হওয়ার জন্য সংবিধান সংশোধনের নামে নতুন গণভোটের প্রয়োজন নেই। সংবিধান সংস্কারের গণভোট হয়ে গেছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করুন, নতুবা দেশ, জাতি ও জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি করার অপরাধে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার প্রস্তুতি নিন।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

সংবিধান সংশোধনের নামে নতুন গণভোট আয়োজন জাতির সঙ্গে তামাশা: রাশেদ প্রধান

আপডেট সময় : ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সংবিধান সংশোধনের নামে নতুন গণভোট আয়োজন জাতির সঙ্গে তামাশা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।

তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের ধোয়া তুলে বিএনপি সরকারের নতুন করে গণভোট আয়োজনের পরিকল্পনা স্বৈরতন্ত্রের আলামত। দাবি ছিল সংবিধান ‘সংস্কারের’, নিছক ‘সংশোধনের’ নয়। সংবিধান সংস্কারের জন্য গণভোট হয়ে গেছে এবং দেশের জনগণ বিপুল ভোটে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’-কে জয়যুক্ত করেছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জাগপা মুখপাত্র এসব কথা বলেন।

বিএনপি সরকারের উদ্দেশে প্রশ্ন তুলে রাশেদ প্রধান বলেন, আমরা জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে গণভোটের দাবি তুলেছিলাম, তখন তো এই বিএনপিই বলেছিল আলাদা গণভোট করতে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ অপচয় হবে! খোঁড়া যুক্তি দিয়েছিল, নির্বাচনের আগে করার কিছু নেই, জাতীয় নির্বাচনের দিন এক খরচেই সব সেরে ফেলা যাবে। এখন কি নতুন করে গণভোট করতে আর রাষ্ট্রের টাকা খরচ হবে না?

তিনি বলেন, কথাবার্তা পরিষ্কার, স্বৈরাচার হওয়ার জন্য সংবিধান সংশোধনের নামে নতুন গণভোটের প্রয়োজন নেই। সংবিধান সংস্কারের গণভোট হয়ে গেছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করুন, নতুবা দেশ, জাতি ও জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি করার অপরাধে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার প্রস্তুতি নিন।