ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বেতগাড়ীতে এনসিপির ইউনিয়ন কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত বাদীকে হুমকি, তানজিন তিশাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ব্যালন ডি’অরের যে রেকর্ড এখনও ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির শেষ হলো আলোচিত ডি-থ্রির নিলাম, দেখুন কে কেমন দল সাজালো ত্রিপক্ষীয় আলোচনা শুরু হলেও ইউক্রেনে সামরিক অভিযান থামবে না: রাশিয়া মিথ্যা মামলার জন্য কারাগারে বাদী, আসামি খালাস জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা ভবিষ্যতে যেকোনো সংকটে জাতিকে পথ দেখাবে গণঅধিকার পরিষদ: নুর পাঠ্যবইয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ বিতর্কের মধ্যেই এনসিটিবির আরও ৯ কর্মকর্তাকে বদলি

সখিপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসারের দূর্নীতিতে বঞ্চিত সরকার




টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাচন অফিসার জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম ও তার ডাটাএন্ট্রি অপারেটর মোঃ শফিকুল ইসলাম সাহেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, গতকাল ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রবিবারে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিক আবুল কাশেমের সাথে তারা (নির্বাচন অফিসার ও সাহেদ) অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

গত মে মাসে প্রথম উক্ত রফিকুল ইসলামের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে গিয়ে কিছুক্ষণ আলাপচারিতার পর সাংবাদিক তার নিজের লেখা বই ”রক্তাক্ত জুলাই” উপহার দিতে গেলে উক্ত রফিকুল ইসলাম সেটা ফিরিয়ে দিয়ে বলেন, ”আমার নিজের লেখা বই পড়ার সময় পাই না। আপনার বই কখন পড়বো?” ওইদিনই তিনি বলেন, আমি একযুগের বেশি সময় ধরে সাসপেন্ড ছিলাম। বহু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এখন সুযোগ এসেছে পুষিয়ে নেয়ার। সাসপেন্ড থাকার কারণ কি? সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি তৎকালীন বিএনপির ক্যাডার ছিলাম, তাই সাসপেন্ড ছিলাম।

ওই অফিসারের গ্রামের বাড়ির কথা জিজ্ঞেস করলে, ঢাকায় বলে মিথ্যাচার করেন।

প্রকৃত পক্ষে উক্ত রফিকুলের বাড়ি কুষ্টিয়ায়। গত আগস্ট মাসে উক্ত সাংবাদিক আরেক প্রয়োজনে জনাব রফিকুল ইসলামের সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে অফিসের দরজা বন্ধ পান। পরে দুটি কক্ষ অতিক্রম করে ভিতরের দরজা দিয়ে প্রবেশ করলেও তার সাথে দুর্ব্যবহার করেন।
গতকাল ২৫ অক্টোবর (রবিবার) ২০২৬ তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তিনি ক্ষেপে যান এবং বাক-বিতন্ডা হয়।

গত কিছুদিন আগে জনৈকা মহিলা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) তার পিতার হারানো এনআইডি নির্বাচন অফিস থেকে সংগ্রহ করতে গেলে উক্ত সাহেদ বলেন, ”হবে না, এখন সরকারি ওয়েবসাইট দিয়ে এনআইডি এবং এর সার্ভার কপি ডাউনলোড করা বন্ধ রয়েছে”। অথচ, সখিপুর উপজেলা নির্বাচন কমিশন গোপনে সরকারি ওয়েবসাইট পাসওয়ার্ডসহ একাধিক দোকানে দিয়ে রেখেছেন।

তারা তিন দিনের মধ্যে চার/পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে এনআইডি সার্ভার কপিসহ ডাউনলোড করে দিতে পারে। এদের একজন ফ্ল্যাক্সিলোডের দোকানের জনৈক মেহেদী। তাকে চলতি অক্টোবর মাসের ১০ তারিখে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বর্তমানে সে কাশিমপুর কারাগারে রয়েছে।

এ ছাড়াও জননী কম্পিউটারসহ একাধিক দোকানে তাদের প্রদত্ত সরকারি পাসওয়ার্ড সহ সরকারি সার্ভার আছে। যার মাধ্যমে তারা উভয়ে (রফিক-শফিক) প্রতিমাসে প্রায় লক্ষাধিক টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

বেতগাড়ীতে এনসিপির ইউনিয়ন কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

সখিপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসারের দূর্নীতিতে বঞ্চিত সরকার

আপডেট সময় : ১৮ ঘন্টা আগে

টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাচন অফিসার জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম ও তার ডাটাএন্ট্রি অপারেটর মোঃ শফিকুল ইসলাম সাহেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, গতকাল ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রবিবারে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিক আবুল কাশেমের সাথে তারা (নির্বাচন অফিসার ও সাহেদ) অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

গত মে মাসে প্রথম উক্ত রফিকুল ইসলামের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে গিয়ে কিছুক্ষণ আলাপচারিতার পর সাংবাদিক তার নিজের লেখা বই ”রক্তাক্ত জুলাই” উপহার দিতে গেলে উক্ত রফিকুল ইসলাম সেটা ফিরিয়ে দিয়ে বলেন, ”আমার নিজের লেখা বই পড়ার সময় পাই না। আপনার বই কখন পড়বো?” ওইদিনই তিনি বলেন, আমি একযুগের বেশি সময় ধরে সাসপেন্ড ছিলাম। বহু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এখন সুযোগ এসেছে পুষিয়ে নেয়ার। সাসপেন্ড থাকার কারণ কি? সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি তৎকালীন বিএনপির ক্যাডার ছিলাম, তাই সাসপেন্ড ছিলাম।

ওই অফিসারের গ্রামের বাড়ির কথা জিজ্ঞেস করলে, ঢাকায় বলে মিথ্যাচার করেন।

প্রকৃত পক্ষে উক্ত রফিকুলের বাড়ি কুষ্টিয়ায়। গত আগস্ট মাসে উক্ত সাংবাদিক আরেক প্রয়োজনে জনাব রফিকুল ইসলামের সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে অফিসের দরজা বন্ধ পান। পরে দুটি কক্ষ অতিক্রম করে ভিতরের দরজা দিয়ে প্রবেশ করলেও তার সাথে দুর্ব্যবহার করেন।
গতকাল ২৫ অক্টোবর (রবিবার) ২০২৬ তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তিনি ক্ষেপে যান এবং বাক-বিতন্ডা হয়।

গত কিছুদিন আগে জনৈকা মহিলা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) তার পিতার হারানো এনআইডি নির্বাচন অফিস থেকে সংগ্রহ করতে গেলে উক্ত সাহেদ বলেন, ”হবে না, এখন সরকারি ওয়েবসাইট দিয়ে এনআইডি এবং এর সার্ভার কপি ডাউনলোড করা বন্ধ রয়েছে”। অথচ, সখিপুর উপজেলা নির্বাচন কমিশন গোপনে সরকারি ওয়েবসাইট পাসওয়ার্ডসহ একাধিক দোকানে দিয়ে রেখেছেন।

তারা তিন দিনের মধ্যে চার/পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে এনআইডি সার্ভার কপিসহ ডাউনলোড করে দিতে পারে। এদের একজন ফ্ল্যাক্সিলোডের দোকানের জনৈক মেহেদী। তাকে চলতি অক্টোবর মাসের ১০ তারিখে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বর্তমানে সে কাশিমপুর কারাগারে রয়েছে।

এ ছাড়াও জননী কম্পিউটারসহ একাধিক দোকানে তাদের প্রদত্ত সরকারি পাসওয়ার্ড সহ সরকারি সার্ভার আছে। যার মাধ্যমে তারা উভয়ে (রফিক-শফিক) প্রতিমাসে প্রায় লক্ষাধিক টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।