ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যাংকে ছিল কোটি কোটি টাকা, ‘মাথা ঠিক থাকত না’: নোবেল এনসিএল দ্বিতীয় একাদশের স্কোয়াড ও সূচি ঘোষণা ভারতকে নিয়ে ‘খেলল’ দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, গ্রেপ্তার ৬১০০ ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, চুনারঘাট থানার সেই এএসআই প্রত্যাহার সরকারের সিদ্ধান্ত কীভাবে গরিবের পেটে লাথি মারে, ডিমের দাম তার সাক্ষী: নাহিদ তুরস্কে যাচ্ছেন জামায়াত আমির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হবে: ডিএমপি কমিশনার নতুন পে-স্কেলের মধ্যেই বেতন বাড়ল প্রাইমারির প্রধান শিক্ষকদের সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে এস্কাফ সিরাপসহ যুবক আটক

সরকারের সিদ্ধান্ত কীভাবে গরিবের পেটে লাথি মারে, ডিমের দাম তার সাক্ষী: নাহিদ




‘একটা ডিম ১৫ টাকা’- এই চার শব্দের বাক্যই এখন দেশের কোটি নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে আতঙ্কের নাম বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তার মতে, মানুষের আয় না বাড়লেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।

তিনি লেখেন, ‘একটা ডিম ১৫ টাকা। এই চার শব্দের বাক্যটা আজ বাংলাদেশের কোটি নিম্নবিত্ত আর নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে একটা আতঙ্কের নাম। যাদের প্রতিবেলায় মাছ-মাংস কেনার সামর্থ্য নেই, তাদের প্রোটিনের একমাত্র ভরসা এই ডিম। হলে থাকা ছাত্র, মেসে থাকা ব্যাচেলর তরুণের জন্য ডিম মানে লাইফলাইন। সেই ডিমের হালি এখন ৫৫ টাকা।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ডিমের দাম একা বাড়েনি। চাল, আটা, তেল, চিনি, মুরগি, মাছ, সবজি, প্রায় প্রতিটি মৌলিক খাবারের দাম বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকা। কদিন আগে বেড়েছে দুধের দাম। মানুষের আয় বাড়েনি, কিন্তু বেঁচে থাকার খরচ বেড়েছে। এই দাম এমনি এমনি বাড়েনি। সরকারের একেকটা সিদ্ধান্ত কীভাবে গরিবের পেটে লাথি মারে, ডিমের দাম তার সাক্ষী।’

নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার পেছনে তিনটি কারণের কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘কারণ তিনটা। প্রথমত, বাজেট। নির্বাচনের আগে তারেক রহমান বলেছিলেন, মেগা প্রজেক্ট মানেই মেগা দুর্নীতি। অথচ মেগা প্রজেক্ট আর হরেক রকম কার্ড ছাপানোর জন্য প্রায় ২০% বড় বাজেট বানানো হলো। দেশের অর্থনীতিতে তেমন কোনো গতি নেই। ধনীদের ট্যাক্স ফাঁকি বন্ধের বা তাদের ট্যাক্স বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনাও নেই। তাহলে এই বাড়তি টাকা আসবে কোথা থেকে? হয় ভ্যাট বাড়িয়ে, নয় ঋণ করে, নয়তো টাকা ছাপিয়ে। ভ্যাট বাড়লে সরাসরি দাম বাড়ে। টাকা ছাপালে বাড়ে মূল্যস্ফীতি। ঋণটাও পরে ফেরত দিতে হবে সুদে-আসলে।’

জ্বালানি খাতকে দ্বিতীয় কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকার যখন হুট করে বিদ্যুৎ আর জ্বালানির দাম বাড়ায়, তখন সেচ, পোলট্রি, মাছ চাষ, হিমাগার, মাল টানার ট্রাক, দোকান, সবকিছুর খরচ একসাথে লাফিয়ে বাড়ে। সেই বাড়তি খরচটা শেষে দেয় ক্রেতাই।’

সিন্ডিকেট ও রাজনৈতিক চাঁদাবাজিকে তৃতীয় কারণ মনে করেন নাহিদ। তিনি বলেন, ‘এদের কারণে উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক বেশি দামে পণ্য কিনতে হয় সাধারণ মানুষকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটা ক্ষেত্রেই বোঝা পড়ে নিম্ন আর মধ্যবিত্তের ঘাড়ে। কারণ তাদের আয়ের প্রায় পুরোটাই চলে যায় বেঁচে থাকার মৌলিক জিনিস কিনতে। জীবনযাত্রার খরচ ১০% বাড়লে বড়লোকের তেমন সমস্যা হয় না। তার আয়ের অল্প একটা অংশ যায় মৌলিক খরচে, হাতে জমানো টাকাও আছে। কিন্তু সেই ১০% গরিব আর মধ্যবিত্তকে দাঁড় করিয়ে দেয় একটা নির্মম বাস্তবতার সামনে: কোনটা না কিনলে চলতে পারবো?’

বিকল্প নীতির কথা তুলে ধরে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘অথচ বিকল্প ছিল। আমরা এনসিপি থেকে নির্বাচনি ইশতেহার আর ছায়া বাজেটে দেখিয়েছি, ধনীদের ট্যাক্স ফাঁকি বন্ধ করলে আর অপ্রয়োজনীয় মেগা প্রজেক্টে না গেলে কী কী করা যায়। মধ্যবিত্তের ওপর ট্যাক্স কমানো যায়। নিত্যপণ্যের ওপর থেকে ভ্যাট তুলে নেওয়া যায়। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানিতে বাড়তি ভর্তুকি দেওয়া যায়। কিন্তু সরকার সেই পথে হাঁটেনি।’

সরকারের নীতির সুফল কারা পাবে- এমন প্রশ্ন তুলে নাহিদ ইসলাম লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড হাতে কিংবা মেগা প্রজেক্টের ফিতা কেটে অনেক ফুটেজ পাবেন। জ্বালানি খাত বেসরকারি করে দিলে বিএনপির আর নতুন করে বিএনপির ঘনিষ্ঠ হওয়া বড় ব্যবসায়ীরা ভালো ব্যবসার সুযোগ পাবেন। আর মেগা প্রজেক্টের হাজার কোটি টাকার কমিশনে ভাগ বসাবেন মন্ত্রী-এমপিদের ছেলে-নাতিরা।’

সবশেষে নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অন্যদিকে, কোটি মা আজ রাতে ১৫ টাকার একটা ডিম ভেজে কয়েক ভাগ করে সন্তানদের পাতে তুলে দেবেন।’

উল্লেখ্য, রাজধানীসহ সারাদেশে ডিমের দাম আরও বেড়েছে। বড় বাজার থেকে ফার্মের মুরগির এক হালি বাদামি ডিম ৫০ টাকায় কেনা গেলেও পাড়া-মহল্লার মুদিদোকানে তা ৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো সাধারণত একটি-দুটি করে ডিম কেনে। সে ক্ষেত্রে প্রতিটি ডিমের দাম পড়ছে ১৫ টাকা।

দেশে নিম্ন ও স্বল্প আয়ের মানুষের আমিষের অন্যতম বড় উৎস ডিম ও ব্রয়লার মুরগি। বাজারে দুই মাস ধরে ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকার আশপাশে। ডিমের দামও গত কিছুদিন ধরে ডজনপ্রতি দেড়শ টাকার উপরে ছিল। এখন সেই দাম আরও বেড়েছে।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে এক ডজন (১২টি) ডিম ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে প্রায় ১০ টাকা বেড়েছে। ফার্মের মুরগির সাদা ডিমের ডজন ১৪৫ থেকে ১৫৫ টাকা। আর হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকা ডজনে।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাংকে ছিল কোটি কোটি টাকা, ‘মাথা ঠিক থাকত না’: নোবেল

সরকারের সিদ্ধান্ত কীভাবে গরিবের পেটে লাথি মারে, ডিমের দাম তার সাক্ষী: নাহিদ

আপডেট সময় : এক ঘন্টা আগে

‘একটা ডিম ১৫ টাকা’- এই চার শব্দের বাক্যই এখন দেশের কোটি নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে আতঙ্কের নাম বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তার মতে, মানুষের আয় না বাড়লেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।

তিনি লেখেন, ‘একটা ডিম ১৫ টাকা। এই চার শব্দের বাক্যটা আজ বাংলাদেশের কোটি নিম্নবিত্ত আর নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে একটা আতঙ্কের নাম। যাদের প্রতিবেলায় মাছ-মাংস কেনার সামর্থ্য নেই, তাদের প্রোটিনের একমাত্র ভরসা এই ডিম। হলে থাকা ছাত্র, মেসে থাকা ব্যাচেলর তরুণের জন্য ডিম মানে লাইফলাইন। সেই ডিমের হালি এখন ৫৫ টাকা।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ডিমের দাম একা বাড়েনি। চাল, আটা, তেল, চিনি, মুরগি, মাছ, সবজি, প্রায় প্রতিটি মৌলিক খাবারের দাম বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকা। কদিন আগে বেড়েছে দুধের দাম। মানুষের আয় বাড়েনি, কিন্তু বেঁচে থাকার খরচ বেড়েছে। এই দাম এমনি এমনি বাড়েনি। সরকারের একেকটা সিদ্ধান্ত কীভাবে গরিবের পেটে লাথি মারে, ডিমের দাম তার সাক্ষী।’

নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার পেছনে তিনটি কারণের কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘কারণ তিনটা। প্রথমত, বাজেট। নির্বাচনের আগে তারেক রহমান বলেছিলেন, মেগা প্রজেক্ট মানেই মেগা দুর্নীতি। অথচ মেগা প্রজেক্ট আর হরেক রকম কার্ড ছাপানোর জন্য প্রায় ২০% বড় বাজেট বানানো হলো। দেশের অর্থনীতিতে তেমন কোনো গতি নেই। ধনীদের ট্যাক্স ফাঁকি বন্ধের বা তাদের ট্যাক্স বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনাও নেই। তাহলে এই বাড়তি টাকা আসবে কোথা থেকে? হয় ভ্যাট বাড়িয়ে, নয় ঋণ করে, নয়তো টাকা ছাপিয়ে। ভ্যাট বাড়লে সরাসরি দাম বাড়ে। টাকা ছাপালে বাড়ে মূল্যস্ফীতি। ঋণটাও পরে ফেরত দিতে হবে সুদে-আসলে।’

জ্বালানি খাতকে দ্বিতীয় কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকার যখন হুট করে বিদ্যুৎ আর জ্বালানির দাম বাড়ায়, তখন সেচ, পোলট্রি, মাছ চাষ, হিমাগার, মাল টানার ট্রাক, দোকান, সবকিছুর খরচ একসাথে লাফিয়ে বাড়ে। সেই বাড়তি খরচটা শেষে দেয় ক্রেতাই।’

সিন্ডিকেট ও রাজনৈতিক চাঁদাবাজিকে তৃতীয় কারণ মনে করেন নাহিদ। তিনি বলেন, ‘এদের কারণে উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক বেশি দামে পণ্য কিনতে হয় সাধারণ মানুষকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটা ক্ষেত্রেই বোঝা পড়ে নিম্ন আর মধ্যবিত্তের ঘাড়ে। কারণ তাদের আয়ের প্রায় পুরোটাই চলে যায় বেঁচে থাকার মৌলিক জিনিস কিনতে। জীবনযাত্রার খরচ ১০% বাড়লে বড়লোকের তেমন সমস্যা হয় না। তার আয়ের অল্প একটা অংশ যায় মৌলিক খরচে, হাতে জমানো টাকাও আছে। কিন্তু সেই ১০% গরিব আর মধ্যবিত্তকে দাঁড় করিয়ে দেয় একটা নির্মম বাস্তবতার সামনে: কোনটা না কিনলে চলতে পারবো?’

বিকল্প নীতির কথা তুলে ধরে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘অথচ বিকল্প ছিল। আমরা এনসিপি থেকে নির্বাচনি ইশতেহার আর ছায়া বাজেটে দেখিয়েছি, ধনীদের ট্যাক্স ফাঁকি বন্ধ করলে আর অপ্রয়োজনীয় মেগা প্রজেক্টে না গেলে কী কী করা যায়। মধ্যবিত্তের ওপর ট্যাক্স কমানো যায়। নিত্যপণ্যের ওপর থেকে ভ্যাট তুলে নেওয়া যায়। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানিতে বাড়তি ভর্তুকি দেওয়া যায়। কিন্তু সরকার সেই পথে হাঁটেনি।’

সরকারের নীতির সুফল কারা পাবে- এমন প্রশ্ন তুলে নাহিদ ইসলাম লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড হাতে কিংবা মেগা প্রজেক্টের ফিতা কেটে অনেক ফুটেজ পাবেন। জ্বালানি খাত বেসরকারি করে দিলে বিএনপির আর নতুন করে বিএনপির ঘনিষ্ঠ হওয়া বড় ব্যবসায়ীরা ভালো ব্যবসার সুযোগ পাবেন। আর মেগা প্রজেক্টের হাজার কোটি টাকার কমিশনে ভাগ বসাবেন মন্ত্রী-এমপিদের ছেলে-নাতিরা।’

সবশেষে নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অন্যদিকে, কোটি মা আজ রাতে ১৫ টাকার একটা ডিম ভেজে কয়েক ভাগ করে সন্তানদের পাতে তুলে দেবেন।’

উল্লেখ্য, রাজধানীসহ সারাদেশে ডিমের দাম আরও বেড়েছে। বড় বাজার থেকে ফার্মের মুরগির এক হালি বাদামি ডিম ৫০ টাকায় কেনা গেলেও পাড়া-মহল্লার মুদিদোকানে তা ৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো সাধারণত একটি-দুটি করে ডিম কেনে। সে ক্ষেত্রে প্রতিটি ডিমের দাম পড়ছে ১৫ টাকা।

দেশে নিম্ন ও স্বল্প আয়ের মানুষের আমিষের অন্যতম বড় উৎস ডিম ও ব্রয়লার মুরগি। বাজারে দুই মাস ধরে ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকার আশপাশে। ডিমের দামও গত কিছুদিন ধরে ডজনপ্রতি দেড়শ টাকার উপরে ছিল। এখন সেই দাম আরও বেড়েছে।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে এক ডজন (১২টি) ডিম ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে প্রায় ১০ টাকা বেড়েছে। ফার্মের মুরগির সাদা ডিমের ডজন ১৪৫ থেকে ১৫৫ টাকা। আর হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকা ডজনে।