ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘আমার কোনো বাগদান হয়নি’, গুঞ্জনের জবাবে শিরতাজ জেবিন ‘হাফিজ সাঈদের বিচার কবে করবেন?’ জাতিসংঘে প্রশ্নের মুখে শেহবাজ শরিফ রক্ষণে দুর্বলতা, আক্রমণে ধার নেই: শেষ মুহূর্তের গোলে হার এড়াল ব্রাজিল ব্রাজিলকে হটিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের নতুন মাইলফলকে মরক্কো ভেরিফিকেশনের নামে এক হাজার তরুণের স্বপ্ন ধূলিসাৎ করা হয়েছে: নাহিদ ইসলাম শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে: রিজভী জাতিসংঘ নিখুঁত নয়, তবে অপরিহার্য: খলিলুর রহমান ২০২৬ সালের হারভেস্ট মুন দেখা যাবে শনিবার শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ আতাহার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মাদকবিরোধী লিফলেট বিতরণ

২০২৬ সালের হারভেস্ট মুন দেখা যাবে শনিবার




শরতের প্রথম পূর্ণিমা হিসেবে অনেকের কাছেই বিশেষ আকর্ষণ ‘হারভেস্ট মুন’। ফসল সংগ্রহের ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই পূর্ণিমা এবার দেখা যাবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর)। এদিন চাঁদ পৃথিবীর তুলনামূলক কাছে অবস্থান করবে এবং ব্রিটিশ গ্রীষ্মকালীন সময় (BST) অনুযায়ী বিকেল ৫টা ৪৯ মিনিটে পূর্ণতম অবস্থায় পৌঁছাবে।

বাংলাদেশসহ ভারত ও আশপাশের অঞ্চলে সূর্যাস্তের পর পূর্ব আকাশে দেখা মিলবে এই পূর্ণিমার। দিগন্তের কাছে ওঠার সময় চাঁদকে স্বাভাবিকের তুলনায় বড়, উজ্জ্বল কিংবা লালচে-কমলা দেখাতে পারে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘হারভেস্ট মুন’ বা ফসল কাটার চাঁদ নামটির সঙ্গে কৃষিকাজের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। শরৎ বিষুবের কাছাকাছি সময়ে এই পূর্ণিমা দেখা যায়। অতীতে সূর্যাস্তের পর দীর্ঘ সময় চাঁদের আলো পাওয়া যেত, যা কৃষকদের সন্ধ্যার পরও ফসল ঘরে তোলার কাজে সহায়তা করত।

হারভেস্ট মুন সবসময় সেপ্টেম্বরে হয় না। শরৎ বিষুবের সবচেয়ে কাছের পূর্ণিমাকেই এই নামে ডাকা হয়। তাই কোনো কোনো বছর এটি সেপ্টেম্বরে, আবার কোনো বছর অক্টোবরে দেখা যায়। ২০২৬ সালে হারভেস্ট মুন হবে ২৬ সেপ্টেম্বর।

চাঁদ ওঠার সময় সেটিকে অনেক সময় হলুদ, কমলা কিংবা লালচে দেখায়। তবে এটি হারভেস্ট মুনের বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্য নয়। দিগন্তের কাছে চাঁদ থাকলে তার আলোকে আমাদের চোখে পৌঁছাতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি পথ অতিক্রম করতে হয়।

হারভেস্ট মুন শুরুর আগের দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে উজ্জ্বল চাঁদের এই ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফার জুবায়ের কেওলিন। ছবিটি তার ফেসবুক থেকে নেওয়া।

এ সময় আলোর নীল তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়। ফলে হলুদ, কমলা ও লাল রঙের আলো তুলনামূলকভাবে বেশি দৃশ্যমান হয়। চাঁদ আকাশে যত ওপরে ওঠে, এই লালচে আভা ততটাই কমে আসে।

ট্যাগস :
পাবলিস্ট বাই নিউজ

‘আমার কোনো বাগদান হয়নি’, গুঞ্জনের জবাবে শিরতাজ জেবিন

২০২৬ সালের হারভেস্ট মুন দেখা যাবে শনিবার

আপডেট সময় : ৭ ঘন্টা আগে

শরতের প্রথম পূর্ণিমা হিসেবে অনেকের কাছেই বিশেষ আকর্ষণ ‘হারভেস্ট মুন’। ফসল সংগ্রহের ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই পূর্ণিমা এবার দেখা যাবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর)। এদিন চাঁদ পৃথিবীর তুলনামূলক কাছে অবস্থান করবে এবং ব্রিটিশ গ্রীষ্মকালীন সময় (BST) অনুযায়ী বিকেল ৫টা ৪৯ মিনিটে পূর্ণতম অবস্থায় পৌঁছাবে।

বাংলাদেশসহ ভারত ও আশপাশের অঞ্চলে সূর্যাস্তের পর পূর্ব আকাশে দেখা মিলবে এই পূর্ণিমার। দিগন্তের কাছে ওঠার সময় চাঁদকে স্বাভাবিকের তুলনায় বড়, উজ্জ্বল কিংবা লালচে-কমলা দেখাতে পারে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘হারভেস্ট মুন’ বা ফসল কাটার চাঁদ নামটির সঙ্গে কৃষিকাজের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। শরৎ বিষুবের কাছাকাছি সময়ে এই পূর্ণিমা দেখা যায়। অতীতে সূর্যাস্তের পর দীর্ঘ সময় চাঁদের আলো পাওয়া যেত, যা কৃষকদের সন্ধ্যার পরও ফসল ঘরে তোলার কাজে সহায়তা করত।

হারভেস্ট মুন সবসময় সেপ্টেম্বরে হয় না। শরৎ বিষুবের সবচেয়ে কাছের পূর্ণিমাকেই এই নামে ডাকা হয়। তাই কোনো কোনো বছর এটি সেপ্টেম্বরে, আবার কোনো বছর অক্টোবরে দেখা যায়। ২০২৬ সালে হারভেস্ট মুন হবে ২৬ সেপ্টেম্বর।

চাঁদ ওঠার সময় সেটিকে অনেক সময় হলুদ, কমলা কিংবা লালচে দেখায়। তবে এটি হারভেস্ট মুনের বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্য নয়। দিগন্তের কাছে চাঁদ থাকলে তার আলোকে আমাদের চোখে পৌঁছাতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি পথ অতিক্রম করতে হয়।

হারভেস্ট মুন শুরুর আগের দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে উজ্জ্বল চাঁদের এই ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফার জুবায়ের কেওলিন। ছবিটি তার ফেসবুক থেকে নেওয়া।

এ সময় আলোর নীল তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়। ফলে হলুদ, কমলা ও লাল রঙের আলো তুলনামূলকভাবে বেশি দৃশ্যমান হয়। চাঁদ আকাশে যত ওপরে ওঠে, এই লালচে আভা ততটাই কমে আসে।