
টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১দিন ধরে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস বন্ধ ফলে প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে রোগী ও তার স্বজনরা। এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র ড্রাইভার প্রেষনে(ডেপুটেশন) টাংগাইল যুক্ত করায় এমনটি ঘটেছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন গড়ে ৫-৭ জন রোগীকে রাজধানী ঢাকা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানোর প্রয়োজন হয়। গত ৫ এপ্রিল রাতে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাজনীন আক্তারের স্বামী রফিকুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হলে তাকে সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়, অবস্থা গুরুতর হওয়াও তাকে দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার প্রয়োজন হলেও বারবার অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেও অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে তাকে বিকল্প ব্যবস্থায় ঢাকা নেওয়া হয়। একটি মাত্র এম্বুলেন্স ও একজন মাত্র ড্রাইভার দিয়ে কোন রকমে এই অতিজরুরী সেবাটি চালু ছিল। গত ২৬ এপ্রিল সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র এম্বুলেন্সের ড্রাইভার দেবাশিষ বিশ্বাসকে প্রেষনে(ডেপুটেশন) টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিসে নিয়ে যাওয়ায় সেবাটি বন্ধ রয়েছে। এতে করে রোগীরা ২-৩ গুণ বেশী ভাড়ায় প্রাইভেট সার্ভিস বন্ধ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকেই অভিযোগ করেছেন সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা একচেটিয়া করতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এ প্রসঙ্গে সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেহানা পারভীন বলেন, সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স একটি মাত্র ড্রাইভার এর পোস্ট, গত ২৬ এপ্রিল সিভিল সার্জন মহোদয় ডেপুটেশনে ড্রাইভারকে টাঙ্গাইল নিয়ে গেলে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসটি বন্ধ হয়ে গেছে। তবে খুব দ্রুত ড্রাইভারকে পুনরায় সখিপুর ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।